কোটা আন্দোলন ঘিরে চলমান সহিংসতার মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বাংলাদেশে চলাচল ও ভ্রমণে সতর্কতা জারি করেছে দেশটির দূতাবাস।
বুধবার ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের ওয়েবসাইটে এ সতর্কতা নোটিশ হালনাগাদ করা হয়।
দূতাবাস বলেছে, কোটার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের চলমান বিক্ষোভ গত কয়েকদিন ধরে বিস্তৃত হয়েছে। ঢাকা ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকা এবং অন্যান্য শহরে সহিংস সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে বেশ কয়েকজনের মৃত্যু এবং শতাধিক আহত হয়েছে। পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল। বিক্ষোভের কারণে স্থানীয় পরিবহন পরিষেবাগুলো প্রভাবিত হতে পারে এবং ঢাকায় আসা-যাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।
এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন নাগরিকদের সতর্ক হওয়া উচিত এবং ভ্রমণ পরিকল্পনা পুনর্বিবেচনা করা উচিত উল্লেখ করে সতর্কবার্তায় আরও বলা হয়েছে, বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের আশেপাশের এলাকা, বিক্ষোভ এবং কোনো বড় সমাবেশের আশেপাশে সতর্কতা অবলম্বন করুন। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা বিষয়ে পর্যালোচনা, স্থানীয় ইভেন্টসহ আশেপাশের বিষয়ে সচেতন থাকুন এবং স্থানীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ করুন।
এদিকে চলমান পরিস্থিতির কারণে বৃহস্পতিবার ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাসে বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য বন্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।
কোটা আন্দোলন ঘিরে গত তিনদিন ধরেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় সহিংসতা হচ্ছে। বুধবারও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষ হয়েছে। এর মধ্যেই এবার সারাদেশে কমপ্লিট শাটডাউনের ঘোষণা দিয়েছে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা।
বৃহস্পতিবার কমপ্লিট শাটডাউন বা সর্বাত্মক অবরোধ করা হবে বলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফেসবুক পেজে ঘোষণা দেয়া হয়েছে।
কর্মসূচি অনুযায়ী, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা প্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। তবে এর বাইরে সবকিছু বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। রাস্তায় অ্যাম্বুলেন্স ছাড়া কোনো যানবাহন চলবে না বলেও ঘোষণা দেয়া হয়েছে।