মোহম্মপুরের পর ছিনতাই বাড়ছে ধানমন্ডিতেও

রাজধানীর মোহাম্মদপুরের পাশাপাশি ছিনতাই বাড়তে শুরু করেছে পাশ্ববর্তী ধানমন্ডিতেও। দিনে-রাতে সবার সামনেই চলছে এমন অপরাধ। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ দিনেই ছিনতাইয়ের চারটি মামলা দায়ের হয়েছে থানায়। স্থানীয়দের প্রশ্ন, তবে কী ছিনতাইয়ের নতুন হটস্পট হতে চলেছে ধানমন্ডি?

যদিও অপরাধীদের দমাতে পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেফতার করা হয়েছে বেশ কয়েকজনকে। প্রয়োজনে আরও কঠিন অভিজানের পাশাপাশি নজরদারিও বাড়ানো হবে।

গত ১৯ অক্টোবর মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ী রাসেল সন্ধা সাড়ে ৭টায় দিকে হেলমেট মেরামতের জন্য ধানমন্ডি-১৫ নম্বরের একটি দোকানে যান। সঙ্গে ছিল বিভিন্ন দেশের মুদ্রা, যার মূল্য অন্তত ৫০ লাখ টাকা। সেখান থেকে বের হওয়ার পরেই খপ্পরে পরেন চার ছিনতাইকারীর।

একাত্তরের হাতে এসেছে সেদিনের সিসিটিভি ফুটেজ। যেখানে দেখা যায় রাসেলকে আগে থেকেই অনুসরণ করছিলেন এক ব্যক্তি। এমন কী ঘটনার একদিন আগেও ওই ব্যক্তিকেই দেখা যায় তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাশের সিসি ক্যামেরায়। অর্থাৎ আগে থেকেই তাকে অনুসরণ করে আসছিল চক্রটি।

পাশের মোহাম্মদপুর যখন অপরাধের স্বর্গরাজ্য, তখন তার রেশ দেখা যাচ্ছে ধানমন্ডিতেও। দিনে দুপুরেই বেশ কয়েকটি ছিনতাই হয়েছে এই এলাকায়। পুলিশের পরিসংখ্যান বলছে, গত দুই মাসে ধানমন্ডিতে ছিনতাই ও ডাকাতির চেষ্টার মামলা হয়েছে পাঁচটি।

যার মধ্যে ১৫ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে ঘটেছে চারটি ছিনতাই ও ডাকাতির চেষ্টার মামলা। তবে আশার খবর ছিনতাইয়ের মামলায় ৮ জনসহ ডাকাতির প্রস্তুতির সময় আরো ৬ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। অপরাধের লাগাম টানতে পুলিশি টহল জোরদার ও যৌথবাহিনীর অভিযানের তাগিদ এলাকার বাসিন্দাদের।

এদিকে পুলিশ বলছে, অপরাধের মাত্রা বাড়ায় আগের চেয়ে বেশি সর্তক তারা। বাড়ানো হয়েছে টহল। ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মো. মাসুদ আলম বলেন, যে কোনো মূল্যে অপরাধীদের লাগাম টেনে জনমনে স্বস্তি আনা হবে। কোন অপরাধীকে ছাড় দেয়া হবে না বলেও সতর্ক করেন তিনি।