বাংলা একাডেমিতে ১৭৫ নিয়োগ জালিয়াতির খোঁজে দুদকের অভিযান

বাংলা একাডেমিতে ১৭৫ জন নিয়োগে দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির প্রমাণ মিলেছে দুদকের অভিযানে। ২০২২ সালে তৎকালীন মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ সংশ্লিষ্টরা চাকরির আবেদন ফরম থেকে শুরু করে পদে পদে দুর্নীতি করেছে। এমনকি চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেন।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে কর্মকর্তা-কর্মচারী বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ১৮০ জনের বিজ্ঞপ্তি দেয়। ৫০ হাজার নিয়োগ প্রার্থীর কাছ থেকে অন্তত ২ কোটি টাকা জমা হয়। এর মধ্যে অর্ধকোটি টাকা লুটপাট করে তখনকার মহাপরিচালক নুরুল হুদাসহ অন্যরা।

দুদকের সহকারী পরিচালক আসিফ আল মাহমুদ জানান, ৪ হাজার প্রার্থীর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ দেখানো হলেও মৌখিক পরীক্ষার ডাকা হয় মাত্র ৫০০ জনকে। তবে, ফল প্রকাশ না করেই ১৭৫ জনকে নিয়োগের সুপারিশ করে অভিযুক্তরা।

এছাড়া চুক্তিভিত্তিক নিয়োগকে স্থায়ীকরণ, আত্মীয়-স্বজন ও কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নিয়মের লঙ্ঘন করে চাকরি দেয়া হয়। এমনকি কর্মচারী নিয়োগে ১০ লাখ টাকা করে ঘুষ নেয়ারও অভিযোগ আছে।

বর্তমান বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক মোহাম্মদ আজম জানিয়েছেন, অতীতে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ অভিযোগ শুনেছেন। একইসাথে অপরাধী হলে তাদের বিরুদ্ধে দুদককে ব্যবস্থা নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।

দুদক বলছে, রাজনৈতিক প্রভাব, কর্মকর্তাদের খুশি মতো নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির সাথে যারা জড়িত, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।