ইসরাইলি গণহত্যার প্রতিবাদে বিশ্বব্যাপী ডাকা- ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচির সঙ্গে সংহতি জানিয়ে, ঢাকার মার্কিন দূতাবাসের কাছাকাছি কয়েকটি স্থানে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে মিছিলটির সামনে ছিলেন পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া, ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে রাজপথে নেমে এসেছেন বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় ইসরাইলকে লালকার্ডও দেখান তারা।
গাজায় ইতিহাসের সবচে ভয়াবহ গণহত্যা চালিয়ে যাচ্ছে ইসরাইল। একের পর এক বোমা হামলা চালিয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়া হচ্ছে এই ভূখণ্ড। নারী শিশু বৃদ্ধ, পুরুষ কেউই রেহাই পাচ্ছেনা ইসরাইলি হামলা থেকে। মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে ফিলিস্তিনিদের স্বপ্নের ভূখণ্ড।
বাংলাদেশে পড়তে আসা ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রুক এখনও জানেন না গাজায় তার স্বজনরা কোথায় আছে কেমন আছে? টেলিফোন ইন্টারনেট কোন মাধ্যমেই স্বজনদের কোন খোঁজ পাচ্ছেন না তিনি। নতুন বাজার এলাকায় চলা এই বিক্ষোভে যোগ দেন রুক। বিশ্বজুড়ে ডাকা নো ক্লাস নো ওয়ার্ক কর্মসূচির প্রতি সমর্থন জানিয়ে, রুকের মতো নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ক্লাস পরীক্ষা বর্জন করে রাজপথে নেমে আসে শিক্ষার্থীরা।
মেরুল বাড্ডা এলাকায় প্রতিবাদে নামেন ব্র্যাক ও ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কাছেই মার্কিন দূতাবাস থাকায় কড়া অবস্থানে ছিলো পুলিশ ও সেনাবাহিনী। নতুন বাজারে মার্কিন দূতাবাসের সামনেই বিক্ষোভে জড়ো হয় ইউআইইউ, ইউআইটিএস ও প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ইসরাইল যুক্তরাষ্ট্র ও সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জানান তারা।
মার্কিন দূতাবাস ঘিরে তিনস্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। দূতাবাসের নিরাপত্তায় বড় কোন হুমকি নেই বলে জানান কর্মকর্তারা। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঘেরাওয়ের মধ্যেই মার্কিন দূতাবাসের সামনে বিক্ষোভে জড়ো হন বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষ।