আলোচিত দুদক কর্মকর্তা মো. শরীফ উদ্দিনের চাকরি ৩০ দিনের মধ্যে ফেরত দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এছাড়া ফেরত দিতে হবে পাওনা সকল বেতন এবং সুযোগ-সুবিধা।
বুধবার (৯ জুলাই) রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি এম আর হাসান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের নেতৃত্বে দ্বৈত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এ প্রসঙ্গে দোলনের আইনজীবী জানান, কক্সবাজারে জমি অধিগ্রহণের মামলায় ৬২০ পৃষ্ঠার তদন্ত করেছিলো শরিফ উদ্দিন। তার রিপোর্টে যাদের নাম এসেছিলো তারা খুব শক্তিশালী ছিলো। আদালতের রায়ের পর শরীফ উদ্দিন জানান, তিনি ন্যায় বিচার পেয়েছেন।
২০০৮ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন (কর্মচারী) বিধিমালার ৫৪ (২) বিধি অনুযায়ী ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি শরীফ উদ্দিনকে চাকরি থেকে অপসারণ করে দুদক। ওই বিধিমালায় বলা হয়, কোনো ধরনের কারণ দর্শানোর নোটিশ ছাড়াই একজন কর্মকর্তাকে চাকরিচ্যুত করার ক্ষমতা দুদকের রয়েছে। এরপরই চাকরিচ্যুতি ও ৫৪(২) বিধির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন শরীফ।
একই বছরের ১৩ মার্চ চাকরি ফেরত চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন বরখাস্ত হওয়া দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আলোচিত উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন।
২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিনকে দুদক চেয়ারম্যান মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহ সই করা এক প্রজ্ঞাপনে অপসারণ করা হয় শরীফ উদ্দিনকে।