জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ ১৪ জানুয়ারি

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুম ও বিচারবহির্ভূতভাবে ১০৪ জনকে হত্যার অভিযোগে এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক ও সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরু হবে কিনা—সে বিষয়ে আগামী ১৪ জানুয়ারি আদেশ দেবেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।

বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) জিয়াউল আহসানের আইনজীবীদের শুনানি শেষে এই দিন নির্ধারণ করেন ট্রাইব্যুনাল। এদিন জিয়াউল আহসানের পক্ষে মামলাটি থেকে অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গুমের পর গাজীপুর, বরগুনার পাথরঘাটার চরদুয়ানী এবং সুন্দরবনে জলদস্যু দমনের কথিত অভিযানের নামে নাটক সাজিয়ে মোট ১০৪ জনকে হত্যা করা হয়েছে।

এর আগে শুনানিতে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, গুমের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ছিলেন জিয়াউল আহসান। রাজনৈতিকভাবে কাউকে হুমকি মনে করলে কিংবা বিরোধী মতের বহু মানুষকে গুমের পর নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে। এসব অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত তথ্যপ্রমাণ প্রসিকিউশনের কাছে রয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।

অন্যদিকে জিয়াউল আহসানের আইনজীবীরা দাবি করেন, এসব হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তারা প্রশ্ন তোলেন, ঘটনার প্রায় ১৫ বছর পর কেন গুমের অভিযোগ আনা হলো। এর জবাবে প্রসিকিউশন জানায়, ১৫ বছর নয়—ফৌজদারি অপরাধের বিচার ১০০ বছর পরও করা সম্ভব।