ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পর্যবেক্ষকদের যাচাই-বাছাই করে নিয়োগ দেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) কেন্দ্রীয় সম্পাদক ও প্রধান নির্বাহী ড. বদিউল আলম মজুমদার। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সক্ষমতা নিয়ে তিনি চিন্তিত মন্তব্য করে বলেন, এভাবে পর্যবেক্ষক নিয়োগ ইসির একটি বড়ো বিচ্যুতি।
শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সকালে প্রেসক্লাবে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দীতাকারী প্রার্থীদের তথ্য উপস্থাপন বিষয়ক সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি এই কথা বলেন।
এসময় সুজন সম্পাদক বলেন, জুলাইয়ের পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একটি ঐক্য থাকার কথা থাকলেও কিছু কিছু দলের মধ্যে তা দেখা যাচ্ছে না। তবে সুজন আশা করে, সবার একটি দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠুভাবে অনুষ্ঠিত হবে।
এদিকে সাংবাদিক সম্মেলনে সুজনের কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক দিলীপ কুমার সরকার জানান, এবার মোট দুই হাজার ২৬ জন প্রার্থীর মধ্যে ৪১ শতাংশ (৮৩২ জন) প্রার্থীর বার্ষিক আয় পাঁচ লাখ টাকার নিচে। ৯৫ জন প্রার্থীর বার্ষিক আয় এক কোটি টাকার বেশি। ৭৪১ জন প্রার্থীর আয় পাঁচ লাখ থেকে ২৫ লাখ টাকার মধ্যে।
তিনি জানান, ২৫ লাখের বেশি থেকে ৫০ লাখ টাকা আয় করেন ১৩২ জন। ৭১ জনের আয় ৫০ লাখ থেকে এক কোটি টাকার মধ্যে। হলফনামায় আয়ের ঘর পূরণ করেননি এমন প্রার্থীর সংখ্যা ১৫৫ জন।
তিনি জানান, শীর্ষ ১০ ধনী প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন কুমিল্লা-৮ আসনের বিএনপি প্রার্থী জাকারিয়া তাহের, যার বার্ষিক আয় প্রায় ৬০ কোটি টাকা। দ্বিতীয় অবস্থানে টাঙ্গাইল-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আসাদুল ইসলাম (আয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা)। তৃতীয় অবস্থানে লক্ষ্মীপুর-১ আসনের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী জাকির হোসেন পাটওয়ারী (আয় প্রায় ১৯ কোটি টাকা)। শীর্ষ তালিকায় আরও আছেন বিএনপির মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, কায়সার কামাল এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী সালাউদ্দিন আলমগীর প্রমুখ।