চুয়াডাঙ্গায় চলতি আমন ও রবি মৌসুমে ইউরিয়াসহ সব ধরনের সারের কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে চড়া দামে সার বিক্রি করছে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশন (বিসিআইসি) ডিলাররা। তারপরেও সার না পাওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কৃষক ও খুচরা বিক্রেতারা।
যদিও ভুক্তভোগী কৃষক ও খুচরা বিক্রেতাদের এসব অভিযোগ মানতে নারাজ বিসিআইসি ডিলার ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কর্তৃপক্ষ।
চুয়াডাঙ্গা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. আব্দুল মাজেদ বলেছেন, সার ডিলারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
চলদি মৌসুমে চুয়াডাঙ্গায় আমনের অবাদ হয়েছে ৩৫ হাজর হেক্টর জমিতে এবং সব্জীর আবাদ হয়েছে আট হাজার হেক্টর জমিতে। উল্লেখিত জমিতে ইউরিয়াসহ অন্যান্য সারের চাহিদা রয়েছে এক লাখ ১১ হাজার দুইশ' মেট্রিক টন।
আরও পড়ুন: সাম্প্রদায়িক হামলার ইন্ধনদাতাদের পরিচয় জানা গেছে
এদিকে আমন ও রবি মৌসুমের চাহিদা মোতাবেক বিসিআইসি সার ডিলাররা সার উত্তোলন করলেও কিছু অসাধু সার ডিলার কৃত্রিম সঙ্কট সৃষ্টি করে চড়া দামে সার বিক্রি করছেন। বিশেষ করে ১৬ টাকার ইউরিয়া বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকায়। প্রতি কেজিতে পাঁচ থেকে ছয় টাকা বেশি দরে কৃষকদের কিনতে হচ্ছে সার।
ক্যামেরায় কথা না বললেও নাম প্রকাশ না করার শর্তে কৃষকরা জানান, সারের কৃত্রিম সংকট না কাটাতে পারলে এবং অসাধু সার ডিলারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আসছে ভুট্টার আবাদসহ সকল ফসল আবাদ ব্যহত হবে।
উল্লেখ্য, চলতি মৌসুমে আমন-রবি আবাদের পর ভুট্টা আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার হেক্টর জমিতে।
একাত্তর/আরবিএস