হঠাৎ করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় কৃষি উৎপাদনে ভর্তুকি দেওয়ার দাবি করেছেন উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকরা।
তারা বলছেন, ডিজেলের দাম বাড়ায় মুহূর্তেই বেড়ে যাবে চাষ, সেচ, মাড়াই ও পরিবহন খরচ। সব মিলিয়ে উৎপাদন খরচ বাড়বে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ।
এমন পরিস্থিতিতে ভর্তুকি না পেলে বহু কৃষকের চাষাবাদ বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। শুধু তাই নয় বড় ধরনের ক্ষতির মুখেও পড়তে হবে কৃষকদের।
কৃষকদের একটা বড় খরচ সেচ কাজ। সেখানে ডিজেল ব্যবহার করে। ফলে সেচ কাজে খরচ বেড়ে যাবে অনেকটাই। হিসাব বলছে কমপক্ষে ৩০ গুণ বাড়বে সেচের খরচ।
এরপর উৎপাদিত কৃষিপণ্য যখন ট্রাক ও নৌযানে পাঠাতে যাবে সেখানেও গুণতে হবে বাড়তি টাকা। এতে দাম বাড়বে শাক-সবজি থেকে শুরু করে সব ধরনের কৃষি পণ্যের।
তারা আরও দাবি করেন, জ্বালানির দাম বাড়ায় জমি চাষ এবং ফসল মাড়াইয়ের খরচ বাড়বে। পাশাপাশি বাড়বে পণ্য পরিবহনের খরচও।
এই অবস্থায় কৃষক বাঁচাতে কৃষিপণ্যের দাম বাড়ানোর পাশাপাশি কৃষিতে ভর্তুকি দেয়ার দাবি করেন তারা।
এদিকে, ডিজেলের দাম বাড়ার কারণে সেচ খরচ ও চাষের খরচের পাশাপাশি পরিবহন খরচ বাড়ার শঙ্কা করেন দক্ষিণের কৃষি প্রধান জেলা ঝিনাইদহের কৃষকরা।
তারা দাবি করেন, এখন থেকে সব মিলিয়ে তাদের চাষের খরচ শতকারা ৩০ ভাগ বাড়বে। জ্বালানির দাম না কমালে চাষাবাদ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হবেন বহু কৃষক।
আর এ ব্যাপারে কৃষি কর্মকর্তারা জানান, জ্বালানির দাম বাড়লে কৃষি উৎপাদন ক্ষতিগ্রস্ত হবে সন্দেহ নেই। তাই এই মুহূর্তে তাদের ভর্তুকি দেওয়া ছাড়া বিকল্পও নেই।
একাত্তর/টিএ