কাউন্সিলর হত্যার প্রধান আসামি বন্দুকযুদ্ধে নিহত

কুমিল্লায় কাউন্সিলর সৈয়দ মো. সোহেলসহ জোড়া খুনের প্রধান আসামি শাহ আলম পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে। এসময় পুলিশের দুইজন সদস্য আহত হন।

বুধবার (২ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত ১টা ১৫ মিনিটে কুমিল্লা সদরের চাঁনপুর গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লা কোতোয়ালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনোয়ারুল আজিম ও ডিবি পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) পরিমল জানান, গত রাত দেড়টায় চাঁনপুর রত্নাবতী গোমতি বেড়িবাঁধে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে।

ঘটনাস্থল থেকে ৭.৬ বোরের একটি পিস্তল, গুলির খোসা ও কার্তুজের খোসা উদ্ধার করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, কয়েকজন অস্ত্রধারী গোমতী বেড়িবাঁধে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা জেলা পুলিশ ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। এসময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে সন্ত্রাসীরা গুলি চালায়।

আরও পড়ুন: আজ শুরু হচ্ছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। এসময় দুইপক্ষের গোলাগুলিতে একজন সন্ত্রাসী গুলিবিদ্ধ হয়। স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে শনাক্ত করেন।

গুলিবিদ্ধ শাহ আলমকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করে।

কাউন্সিলর সৈয়দ মো: সোহেলসহ জোড়া খুনের মামলার প্রধান আসামি শাহ আলম সুজানগর বউ বাজার এলাকার মৃত জানু মিয়ার ছেলে। এর আগে এই মামলার আসামি সাব্বির ও সাজনও পুলিশের সাথে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হন।

এ ঘটনায় কুমিল্লা কোতোয়ালী থানায় একটি মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। এঘটনায় এজহারনামায় পাঁচ জনসহ মোট সাত জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ-র্যাব। প্রধান আসামিসহ তিনজন পুলিশের সাথে বন্ধুকযুদ্ধে নিহত হন।

এ মামলায় এজহারনামায় দুই নং আসামি জেল সোহেল, ১০ নং আসামি সায়মন ও ১১ নং আসামি রনিকে পুলিশ এখনো আটক করতে পারেনি। তবে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম তানভীর আহমেদ।



একাত্তর/টিএ