শেরপুরের শ্রীবরদীতে পাওনা টাকা নিতে গিয়ে দলবেঁধে ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এক গৃহবধূ। সোমবার (২৯ নভেম্বর) রাতে উপজেলার লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের চারতলায় এ ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর মামলা হলে প্রধান আসামিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
কয়েকদিন আগে ওই গৃহবধূ শ্রীবরদী উপজেলার লঙ্গরপাড়ার উত্তর খড়িয়া গ্রামের বাবার বাড়িতে বেড়াতে আসেন। এরপর একই এলাকার বাসিন্দা কামরুজ্জামান ওই গৃহবধূর কাছ থেকে এক হাজার টাকা ধার নেন। ২৯ নভেম্বর সোমবার দুপুরে গৃহবধূ কামরুজ্জামানের কাছে তার পাওনা টাকা চাইলে সে সন্ধ্যায় টাকা দেওয়ার কথা বলে।
পরে সন্ধ্যার দিকে টাকা দেওয়ার কথা বলে ওই গৃহবধূকে লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে ডেকে নিয়ে আসে কামরুজ্জামান ও তাঁর সহযোগী শফিকুল ইসলাম।
গৃহবধূ স্কুলে আসা মাত্রই নির্মাণাধীন ভবনের নৈশ প্রহরী আয়নাল হক বিদ্যালয়ের প্রধান ফটক খুলে দেন এবং আগে থেকেই তাদের পরামর্শ অনুযায়ী ওই গৃহবধূকে বিদ্যালয়ের চারতলা ভবনের একটি কক্ষে নিয়ে আটকে রেখে দলবেঁধে ধর্ষণ করে।
আরও পড়ুন: স্কুলছাত্রীকে অপহরণ করে ধর্ষণ মামলায় ধর্ষকের যাবজ্জীবন
এ ঘটনায় মঙ্গলবার (৩০ নভেম্বর) রাতে ওই গৃহবধূ বাদী হয়ে তিনজনের নাম উল্লেখ করে শ্রীবরদী থানায় ধর্ষণের অভিযোগে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। এরপর ভূক্তভোগীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয় বলে জানান, শ্রীবরদী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল হাসিম।
লঙ্গরপাড়া গ্রামের বাবুল মিয়ার ছেলে কম্পিউটার দোকান কর্মচারী কামরুজ্জামান, একই এলাকার জুতার কারিগর শফিকুল ইসলাম দুদু মিয়ার ছেলে এবং জামালপুরের দেউরপাড়া গ্রামের আব্দুল সেকের ছেলে লঙ্গরপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের নির্মাণাধীন ভবনের নৈশ প্রহরী আয়নাল হক।
একাত্তর/টিএ