জয়পুরহাটে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনের সভায় সাম্প্রদায়িক ও আপত্তিকর বক্তব্য দেওয়ার অভিযোগ আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর এক কর্মী ও স্থানীয় এক জামায়াত কর্মীর বিরুদ্ধে ডিজিটাল আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এরই মধ্যে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
অভিযুক্তরা হলেন- জয়পুরহাট সদর উপজেলার মালইপুর গ্রামের মৃত আজিম উদ্দিনের ছেলে স্থানীয় জামায়াত নেতা আবু জাফর (৩৬) ও ছিট দিওর গ্রামের আবুল কালাম সোনার (৬০)। গ্রেপ্তার হয়েছেন আবু জাফর।
এর আগে গতকাল বুধবার (২২ ডিসেম্বর) বিকেলে ভাদসা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হায়দার আলীর পক্ষে ওই পথসভার আয়োজন করা হয়। সেখানে আপত্তিকর বক্তব্য দেন জাফর ও কালাম।
পরে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) জয়পুরহাট পৌর আওয়ামী লীগের নেতা মাহমুদ হিমু বাদি হয়ে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ওই দুইজনের নামসহ অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট সদর থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, হায়দার আলীর পথসভায় সাম্প্রদায়িক ও আপত্তিকর বক্তব্য দেন। একজন বক্তা বলেন, নৌকায় ভোট দিলে নিজের স্ত্রীর মাথায় সিঁদুর পড়াতে হবে এবং নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীর সভায় জামায়াতে ইসলামীর কর্মী ভাষণ দেন। এমন সব বক্তব্য শোনার পর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন।
আরও পড়ুন: ইসি গঠনে সংলাপ: রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণ পেলো আরও চার দল
তবে চেয়ারম্যান প্রার্থী হায়দার আলী দাবি, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীর লোকজন তার নির্বাচনী পথসভায় দেওয়া বক্তব্য আংশিক ও বিকৃত আকারে প্রকাশ করেছে।
জয়পুরহাট পুলিশ সুপার মাছুম আহম্মদ ভুঞা বলেন, অভিযোগ পেয়ে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ঘটনা তদন্ত করা হচ্ছে।
একাত্তর/এসি