লঞ্চে আগুন: স্বজনদের মাধ্যমে মরদেহ শনাক্তের প্রক্রিয়া শুরু

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকান্ডের ঘটনায় নিহত ৪১ জনের মধ্যে ৩৭ জনই বরগুনার বাসিন্দা। ওই ৩৭টি মরদেহ এসে পৌঁছেছে বরগুনায়। চলছে স্বজনদের মাধ্যমে মরদেহ শনাক্তের প্রক্রিয়া। 

শনিবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে বরগুনা সদর হাসপাতালের মর্গে মৃতদেহগুলো শনাক্ত প্রক্রিয়া করা শুরু হয়।

জেলা ত্রান ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ লুৎফর রহমান জানান, শুক্রবার রাত সাড়ে ১১ টায় মরদেহগুলো ঝালকাঠি হাসপাতালের মর্গ থেকে বরগুনা নিয়ে আসা হয়। রাতেই মৃতদেহের ময়নাতদন্ত করেন পুলিশ। এরপর পাঁচটি মরদেহ শনাক্ত করে নিয়ে যায় স্বজনরা। 

তিনি আরও জানান, আজ সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত মরদেহ শনাক্ত করবেন স্বজনরা। যারা শনাক্ত করতে পারবেন তাদের কাছে মৃতদেহ হস্তান্তর করা হবে।  

বরগুনার জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান জানিয়েছেন, মৃতদের মধ্যে ছয়-সাতজনকে শনাক্ত করা সম্ভব হবে। বাকীদের শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষা করানো হবে।


আরও পড়ুন: দেখে চেনার উপায় নেই ৩১ মরদেহ, করানো হবে ডিএনএ পরীক্ষা

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৩ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত তিনটার দিকে লঞ্চটি ঢাকা থেকে বরগুনা যাওয়ার পথে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর দপদপিয়া এলাকায় এলে ইঞ্জিন কক্ষ থেকে আগুন লাগে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪১ জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দগ্ধ অবস্থায় বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি আছেন একশ' জনেরও বেশি। 


একাত্তর/আরবিএস