বাঁচতে চায় বিরল রোগে আক্রান্ত শিশু তৌহিদা

বিরল এক রোগে আক্রান্ত আট বছরের শিশু তৌহিদা আক্তার। নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার সাধারচর ইউনিয়নের কালোয়াকান্দা গ্রামে তার বাস। বয়স প্রায় ৮ বছর।

বাবা জায়েদুল একজন সাধারণ কাঠমিস্ত্রি। বাড়ির পাশেই একটি কিন্ডারগার্টেন স্কুলে লেখাপড়া করে সে। শিশু তৌহিদা অন্য আট-দশটি শিশুর মতোই খেলাধুলা করতো। 

কিন্তু সে বুঝতে পারেনি, তার শরীরে অদৃশ্য এক রোগ বাসা বেঁধেছে। তার মুখের নিচের ঠোঁট ফোলে দিন দিন বড় হয়ে যাচ্ছে। জিহ্বায়ও দেখা দিয়েছে ক্ষত।

প্রতিবেশীদের সহায়তায় ঢাকায় ডাক্তার দেখিয়েছেন। তারা বলেছেন, প্রতিমাসে প্রায় দশ হাজার টাকা খরচ হবে তৌহিদার চিকিৎসার জন্য। এভাবে প্রায় বছরখানেক করতে হবে।

ব্যায়বহুল ও দীর্ঘমেয়াদী এই চিকিৎসার কথা বলেছেন নরসিংদী জেলার সিভিল সার্জনও। তবে গরীর বাবা-মায়ের পক্ষে শিশুটির চিকিৎসা চালিয়ে যাওয়া অসম্ভব হয়ে পড়েছে। 

তাই জায়েদুল মিয়া ও খাদিজা বেগম দম্পতির সমাজের বিত্তবানদের সহায়তা চেয়েছেন। তা না হলে চোখের সামনে সন্তানের মৃত্যু দেখতে হবে বলে জানালেন তারা। 

শিশু তৌহিদা মুখে কিছু বলতে না পারলেও লিখে দেখায় সে সুস্থ হতে চায়। সে অন্য শিশুদের মতো খেলতে চায়। স্কুলে যেতে চায়।

সবার সহযোগিতায় আবারও স্বাভাবিক জীবনে ফিরে সহপাঠীদের সাথে খেলতে পারবে। এমন আশা করে আট বছর বয়সী কন্যা শিশুটি।


একাত্তর/ এনএ