নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে বিশৃঙ্খলাকারীদের কোন সুযোগ দেয়া হবে না উল্লেখ করে রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার বলেছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরণের ব্যবস্থাই নেয়া হয়েছে।
প্রথমবারের মতো নারায়ণগঞ্জের পুরো ভোটই হবে ইভিএমে। এরিমধ্যে ১৯২টি কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে ভোটের সব সরঞ্জাম।
রোববার (১৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে ভোট নেয়া শুরু হবে। একটানা চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। শনিবার দুপুর থেকে শুরু হয় কেন্দ্রে ইভিএমসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানোর কাজ।
নির্বিঘ্নে ভোট নিশ্চিত করতে সব প্রার্থীকে আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে ভোটারদেরকে নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার আহবান জানিয়েছে।
শীতলক্ষ্যা পাড়ের জনপদ- নারায়ণগঞ্জে হাড় কাঁপানো শীতের পরিবর্তে উত্তাপ ছড়িয়েছে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের দুই মেয়র প্রার্থীর কথার লড়াই।
নির্বাচনী মাঠে প্রভাব বিস্তারসহ নানা অভিযোগ ছিলো প্রধান দুই মেয়র প্রার্থীর কণ্ঠে। সেই সব কথাই শনিবার সারাদিন অনুরনিত হয়েছে নগরীটির সবখানে।
তবে এসব কথার যুদ্ধের বাইরে বড় কোনো গোলযোগের ঘটনা ঘটেনি নির্বাচনী এলাকায়। এরই মধ্যে ভোটের প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।
প্রথমবারের মতো ইভিএম হতে যাচ্ছে নাসিক নির্বাচন। পাঁচ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ ভোটারের মধ্যে এই প্রথম ৪২ হাজার ৪৩০ জন নতুন ভোটার তাদের ভোট দেবেন।
মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দিতা করছেন সাত জন। ২৭ ওয়ার্ডে সাধারণ কাউন্সিলর পদে ১৪৮ জন ও সংরক্ষিত কাউন্সিলর পদে ৩৪ জন লড়ছেন।
বরাবরই নারায়নগঞ্জ নির্বাচন বড় ধরণের সহিংসতা ছাড়াই অনুষ্ঠিত হয়েছে। আর সেটিকেই ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন রির্টানিং কর্মকর্তা মাহফুজা আক্তার।
তিনি বলেন, ভোট আয়োজন নিয়ে তাদের প্রস্তুতি খুব ভালো। পরিবেশও সন্তোষজনক আছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি অতিরিক্ত হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।
মাহফুজা আরও বলেন, ভোটাররা পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেবেন। ভোট দিতে শান্তিপূর্ণ-সুশৃঙ্খল পরিবেশে আসবেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে কেন্দ্রে আসবেন, ভোট দেবেন। সচ্ছন্দে ফিরে যাবেন।
তিনি জানান, পুরো সিটিকে তিন ভাগে ভাগ করে ৪৮ জনের টেকনিক্যাল মোবাইল টিম ঘুরবে। ইভিএম-এ কোনো ত্রুটি দেখা দিলে তারা সেখানে যাবেন এবং কার্যকর ব্যবস্থা নেবেন।
তবে, ভোটের দিন অনিয়ম বন্ধে কমিশন স্বপ্রনোদিত হয়ে কাজ করবে কি না নাকি অভিযোগের অপেক্ষায় থাকবে এমন প্রশ্নের উত্তর দেননি নির্বাচনি কর্মকর্তা।
একাত্তর/ এনএ