শীতের মৌসুমে হঠাৎ দু'দিনের ঝড়-বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে গম, আলু ও সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের। বৃষ্টিতে পানি জমায় ও ফসল হেলে পড়ায় খেতেই নষ্ট হচ্ছে কৃষকদের স্বপ্নের ফসল।
আর তাই হতাশার ছাপ তাদের চোখেমুখে। তবে কৃষি বিভাগ বলছে, ঝড় বৃষ্টির কারণে ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও কৃষকের পাশে থেকে পরামর্শ দেয়া হবে।
মাঘ মাসের শীতে হঠাৎ করে ঝড়-বৃষ্টির আঘাত। আর এতে পঞ্চগড়ের বিভিন্ন এলাকায় গম, আলু, সরিষাসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
যদি বর্ষে মাঘের শেষ, ধন্যি রাজার পুণ্য দেশ বহুল প্রচলিত বচন হলেও বহুমুখী কৃষির যুগে আর তেমনটি দেখা যায় না। বরং অসময়ে ঝড়-বৃষ্টিতে হতাশার ছাপ ফেলেছে কৃষকের মুখে।
তবে, পঞ্চগড় জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক শাহ আলম বলেছেন, ফসলের কিছুটা ক্ষতি হলেও কৃষকের পাশে থেকে সব ধরনের পরামর্শ দেয়া হবে।
বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়া ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে কৃষি নির্ভর জেলা দিনাজপুরের কৃষকদের জন্য। পানিতে ডুবছে জমির ভুট্টা ও সরিষা ক্ষেতসহ আলু ক্ষেত।
এদিকে আগামী ১৫ থেকে ২০ দিন পর এই আলু কৃষকদের ঘরে ওঠার কথা। কিন্তু হঠাৎ করে গেল দু’দিনের বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে জয়পুরহাটের সব আলু ক্ষেত।
মাঘের শেষ সপ্তাহের বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন নওগাঁর কৃষকরাও। তলিয়ে গেছে নিচু এলাকার রোপণকৃত বোরো ধান। কৃষি বিভাগ বলছে, বৃষ্টিতে ফসলের খুব ক্ষতি হবে না।
চলতি মৌসুমে নওগাঁয় ২৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলুর আবাদ হয়েছে ১ হাজার ৫০ হেক্টর।
একাত্তর/ এনএ