স্মৃতিসৌধে ঢুকতে না দেয়ায় হামলা, পুলিশ-আনসার সদস্য আহত

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ছুটির দিনে ঘুরতে আসা দর্শনার্থীদের সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় পুলিশ, আনসারসহ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে দর্শনার্থীরা।

এ সময় জহিরুল ইসলাম নামে এক আনসার সদস্যের মাথা ফাটিয়ে দেয় তারা। এছাড়া জাতীয় স্মৃতিসৌধের সিকিউরিটি পোস্টের কাঁচ ভাঙচুর করে।

সোমবার (২১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে জাতীয় স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটকে এ ঘটনা ঘটে। আনসার সদস্য জহিরুল ইসলাম ছাড়া বাকি আহতরা হলেন, পুলিশ সদস্য শামীম ও স্মৃতিসৌধের কর্মকর্তা টুটুল।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, প্রতি শুক্রবার ও শনিবার স্মৃতিসৌধ এলাকায় চার থেকে পাঁচ হাজার মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু স্মৃতিসৌধ বন্ধের পরে যে দর্শনার্থীরা আসেন তারা গেটের সামনে অবস্থান করে আবার চলে যায়। সোমবারও স্মৃতিসৌধের প্রধান ফটক ও দ্বিতীয় ফটকের সামনে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হয়েছিল।

আরও পড়ুন: গাজীপুরে আবারো মানব কঙ্কাল উদ্ধার

বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে কিছু লোক স্মৃতিসৌধের ভেতরে প্রবেশ করতে চায়। নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার ও পুলিশ সদস্যরা তাদের ভেতরে প্রবেশ করতে না দিলে তাদের ওপর হামলা চালায় দর্শনার্থীরা। পরে আহত আনসার ও পুলিশ সদস্যকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়।

জাতীয় স্মৃতিসৌধের গণপূর্ত বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান জানান, গত ১৩ জানুয়ারি থেকে সরকারি বিধি-নিষেধ অনুযায়ী স্মৃতিসৌধে সাধারণ মানুষের প্রবেশাধিকার বন্ধ রাখা হয়েছে। আমি ও আমাদের স্টাফসহ নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সবাই সরকারি নির্দেশনা মেনে চলছি।

কিন্তু বিকেলে কিছু দর্শনার্থী এক অনসার সদস্যের মাথা ফাঁটিয়ে দেয় ও এক পুলিশসহ আমাদের এক কর্মকর্তার ওপর হামলা করে। এছাড়া ভাঙচুরও চালায় তারা। আমরা ইতোম্যধ্যে কয়েকজনকে আটক করেছি। সিসিটিভির ফুটেজ দেখে শনাক্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনকে বলা হবে বলেও জানান তিনি।


একাত্তর/টিএ