এক ফোঁটা খাবার পানির জন্য হাহাকার সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে। চারদিকে পানি থাকলেও লবণাক্ততার কারণে সে পানি পান করা যায় না।
পানি সংগ্রহে পরিবারের নারী-পুরুষ, এমনকি শিশুদেরও মাইলের পর মাইল রাস্তা পাড়ি দিতে হয়। সুপেয় পানির লেয়ার না পাওয়ায় বসানো যাচ্ছে না টিউবওয়েলও।
সাতক্ষীরার উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগর। চারপাশে সুবিশাল জলরাশি থাকলেও খাবার এক ফোঁটা পানির জন্য রীতিমতো হাহাকার চলে।
খাবার পানির জন্য হাতে গোনা ক'টি নলকূপ আর পুকুরই ভরসা কেবল। বিশুদ্ধ পানির সংকটে টাইফয়েড, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে ভোগেন এখানকার মানুষ।
কিছুদিন আগেও মুন্সিগঞ্জের ত্রিপাণি বিদ্যাপীঠের শিক্ষার্থীরা এই দীঘির পানি পান করতো। আর প্রায়ই পানি বাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হতেন শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীরা।
খাবার পানির এই সংকট কমাতে আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াটার এইডের সহযোগিতায় স্কুলটিতে ১০ হাজার লিটারের দুটি পানির ট্যাঙ্ক বসানো হয়েছে।
যেখানে নানা প্রক্রিয়ায় ফিল্টার হওয়া পানি পানের উপযোগী করা হয়। ওয়াটার এইডের দাবি, ৫ বছরে এ এলাকার বেশিরভাগ জায়গায় সুপেয় পানির সরবরাহ নিশ্চিত করেছেন তারা।
আরও পড়ুন: এক চোখের দৃষ্টি হারাতে বসেছেন তোতা মিয়া
সাতক্ষীরা জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আ. বাছেদ জানান, পানির লবণাক্ততা দূর করতে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে চলছে।
সাতক্ষীরা স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, প্রতি লিটার পানিতে ০ থেকে ১ হাজার মিলিগ্রাম লবণ থাকলে সে পানি পানযোগ্য। কিন্তু উপকূলে প্রতি লিটার পানিতে ১ হাজার থেকে ১০ হাজার মিলিগ্রাম লবণ রয়েছে।
একাত্তর/আরএ