ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরে নিয়মের তোয়াক্কা না করে একের পর এক ভরাট হচ্ছে পুকুর। গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।
এ ঘটনায় আদালতে একাধিক মামলা চললেও থেমে নেই ভরাটের কাজ। পৌরবাসী বলছেন, এভাবে চললে ভূগর্ভস্থ পানি আরো নিচে নেমে যাওয়াসহ, হুমকির মুখে পড়বে জীববৈচিত্র।
এক সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকাকে পুকুরের শহর বলা হলেও এখনকার দৃশ্য অনেকটাই ভিন্ন। একের পর এক পুকুরে ময়লা আবজর্না ফেলে ভরাট করে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবন। এসব ঘটনায় মামলা হলেও থেমে থাকেনি ভরাট কার্যক্রম।
পৌরবাসী জানান, অতি মুনাফালোভী একটি শ্রেণি গত এক দশকে শহরের বেশিরভাগ পুকুর ভরাট করে বহুতল ভবন নির্মাণ করেছে।
পরিবেশ অধিদপ্তর জানিয়েছে, ২০১৩ থেকে ১৯ সাল পর্যন্ত ১৯টি এবং ২০২০ থেকে এখন পর্যন্ত আরো ২০টি মামলা হয়েছে এসব ঘটনায়। এই ৩৯ মামলার ৩০টিই ছিল জলাধার ভরাট বিষয়ে।
এলাকাবাসী জানান, প্রতি ওয়ার্ডে একটি দুটি করে পুকুর ছিল, সে সময় শহরে আগুন লাগলে নেভানো যেতো, ছিলো পানির অন্যান্য ব্যবহারও।
আর সবটা জেনে পরিবেশ রক্ষায় নতুন করে জলাশয় ভরাট বন্ধে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানালেন পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল কুদ্দুস।
গত এক বছরে ৫০টির বেশি পুকুর ভরাট হয়েছে। বর্তমানে এখন রয়েছে ৬০টির মতো পুকুর।
একাত্তর/এসএ