এলএনজি টার্মিনালের খবরে শঙ্কায় ধলাঘাটবাসী

দেশে গ্যাসের ঘাটতি পূরণে মহেশখালীর ধলঘাটা সমুদ্রে আরেকটি এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

এলাকার মানুষের ভয়, এই টার্মিনালে নির্মানের জন্য তাদের বসতবাড়ি ও জমি অধিগ্রহণ করা হবে। বলছেন, কোনভাবেই বসতবাড়ির জমি দেবেন না তারা।

সরকারের নানা ধরনের উন্নয়ন কাজের জন্য চাওয়া মাত্রই দুই হাজার একর জমি দিয়ে দিয়েছে মহেশখালীর ধলঘাটাবাসী।

আর, অল্প কিছু জায়গা আছে যার উপর বসবাস করছেন এই অঞ্চলের ৫০ হাজার মানুষ। সেই জমিও হাতছাড়া হবার আতঙ্কে দিন কাটছে তাদের।

একই এলাকায় আরেকটি এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য দরকার ৪৭ হেক্টর জমি। টার্মিনাল স্থাপনে নির্মানকারী প্রতিষ্ঠানের যে জায়গা পছন্দ হয়েছে সে জায়গায় বসবাস করেন স্থানীয়রা।

স্থানীয়রা বলছেন, নাড়ির শেকড় ফেলে কোথায় যাবেন তারা। অন্তত আপন ভিটায় থাকতে চান তারা।

জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, টার্মিনাল নির্মাণ করতে কোহলিয়া নদীর পূর্ব পাশে আরো চাষী জমি আছে। যথারীতি উন্নয়ন কাজের জন্য এই জমি দিতে আপত্তি নেই তাদের।

জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত প্রশাসক আমিন আল পারভেজ বলেন, ২০২৩ সালের মধ্যে প্রস্তাবিত এলএনজি টার্মিনাল দিয়ে গ্রিডে দৈনিক ৫০ কোটি ঘনফুট গ্যাস আনার আশা করা হচ্ছে। জায়গা নিয়ে স্থানীয়দের কোন আপত্তি লিখিতভাবে পাননি বলে জানান তিনি।

প্রশাসন আরো জানায়, এফএসআরইউ স্থাপনের বিষয়ে পেট্রোবাংলাকে দ্রুত পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ।


একাত্তর/আরবিএস