নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে জাহাজের ধাক্কায় লঞ্চডুবির ঘটনায় ১১ জনের মরদেহ উদ্ধারের পর আর কেউ নিখোঁজ না থাকায় উদ্ধার অভিযান সমাপ্ত ঘোষণা করেছে বন্দর উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (২২ মার্চ) অভিযান সমাপ্তের বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেন বিআইডব্লিউটিএর জনসংযোগ কর্মকর্তা মিজানুর রহমান।
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপ-সহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আরেফিন জানান, নৌ- দুর্ঘটনা রোধে তদন্ত কমিটি কাজ করছে।
রোববার (২০ মার্চ) দুপুর ২টার দিকে নারায়ণগঞ্জ সদরের সৈয়দপুর এলাকায় শীতলক্ষ্যা নদীতে একটি মালবাহী জাহাজ রূপসী-৯ পেছন থেকে চাপা দিলে ডুবে যায় যাত্রীবাহী লঞ্চ এমএল আফসার উদ্দিন।
নারায়ণগঞ্জ থেকে মুন্সীগঞ্জগামী লঞ্চে সে সময় অর্ধশতাধিক যাত্রী ছিলেন বলে দাবি করেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। সে সময় যাত্রীদের অনেকে সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও নিখোঁজ থাকেন বেশ কয়েকজন।
ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ কর্মীরা উদ্ধার কাজে অংশ নেন। সোমবার ভোরে উদ্ধারকারী জাহাজ ‘প্রত্যয়’ ৫৫ হাত পানির নিচ থেকে লঞ্চটিকে টেনে তুলে তীরে নিয়ে রাখে।
আরও পড়ুন: পানি অপচয় রোধে রিসাইক্লিংয়ের কথা ভাবছে সরকার
রূপসী-৯ জাহাজ এবং এর মাস্টারকে রোববারই মুন্সীগঞ্জের হোসেনদি এলাকা থেকে আটক করে নৌ-পুলিশ। এরপর নারায়ণগঞ্জ থেকে সব পথে ছোট লঞ্চ চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
রোববারের ওই ঘটনায় মোট ১১ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে সাত জনের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নৌ পুলিশ।
একাত্তর/আরএ