পটুয়াখালীতে এক ব্যবসায়ীসহ তার গাড়িচালককে অপহরণের পর মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ পেয়ে অপহৃতদের অক্ষত উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় উদ্ধার করা হয়েছে তার গাড়িচালককেও। তার বর্তমানে সুস্থ আছেন। পরিবারের অভিযোগ, অপহরণের পর ২০ কোটি টাকা মুক্তিপণ দাবি করা হয়েছিল।
মঙ্গলবার (১২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে পটুয়াখালী শহরের কাজীপাড়ায় অবস্থিত এসপি কমপ্লেক্সের আন্ডারগ্রাউন্ড থেকে অক্ষত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করা হয়। পরে পটুয়াখালী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
অপহরণের শিকার ওই ব্যবসায়ীর নাম শিবুলাল দাস। তার গাড়িচালকের নাম মিরাজ।
এর আগে সোমবার (১১ এপ্রিল) পটুয়াখালী শহরের পুরান বাজার এলাকা থেকে রাত ৯টার দিকে অপহরণ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বোরকা পরা এবং অসুস্থ অবস্থায় তাদের ওখানে পাওয়া যায়।
শিবুলাল দাসের ছেলের বউ শান্তা রানী দাস জানান, সোমবার বেলা ১১টার দিকে শহরের পুরান বাজারের নিজ বাসা থেকে তার শ্বশুর ব্যবসায়ীক কাজে ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে গলাচিপার উদ্দেশে রওয়ানা দেন। কাজ শেষে রাত ৯টার দিকে গলাচিপা উপজেলার হরিদেবপুর খেয়াঘাট থেকে পুনরায় পটুয়াখালী শহরের নিজ বাসার উদ্দেশে রওয়ানা হন। এ সময় তার সঙ্গে গাড়িচালক মিরাজও ছিলেন।
এক পর্যায়ে রাত সাড়ে ৯টার দিকে শ্বশুরের ফোন বন্ধ পান। পরে গাড়িচালক মিরাজের ফোনও বন্ধ পাওয়ায় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়।পরে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতা নেওয়া হয়।
আরও পড়ুন: ১৫ এপ্রিল থেকে বাসের আগাম টিকেট বিক্রি শুরু
পরিবারের বরাত দিয়ে তার মেয়ের শ্বশুর সাংবাদিক শংকর লাল দাস জানান, রাত আনুমানিক দুইটার দিকে শিবুলাল দাসের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে তার স্ত্রী বিউটি দাসের ফোনে কল করে বলা হয়, ‘শিবুকে পেতে হলে ২০ কোটি টাকা লাগবে’।
পটুয়াখালীর পুলিশ সুপার মোহাস্মদ শহিদুল্লাহ জানান, পুলিশের একাধিক টিম জেলার বিভিন্ন প্রান্তে অভিযান চালিয়ে তাদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করেছে।এ বিষয়ে বিস্তারিত পরে জানানো হবে।
একাত্তর/এসি