বাঁধ রক্ষার যুদ্ধ শেষে এখন ধান রক্ষার যুদ্ধে নেমেছেন হাওরের প্রত্যেক কৃষক। যে কোন মুহূর্তে ডুবে যাওয়ার আশঙ্কায় সময়ের আগে ধান কাটছেন অনেকেই।
প্রত্যেকেই ব্যস্ত, তাই পরিবারের নারী, এমনকি শিশুরাও যোগ দিয়েছে ধান ঘরে তোলার কাজে। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন, ধান সংগ্রহে কোন সরকারি সহায়তা তারা পাননি।
গেলো ১৯ দিন ধরে সুনামগঞ্জ স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁধ রক্ষার কাজ করছিলেন হাওরের কৃষক। পুরো হাওরের ধান কাটা শেষ হওয়ার কথা আর কিছু দিনের মধ্যে।
এখন যদি কোন কারণে ধান ডুবে নষ্ট হয়, তাহলে আর দুঃখের শেষ থাকবে না। তাই তারা প্রশাসন ও কৃষি দপ্তরের নির্দেশে আগেই ধান কেটে নিচ্ছেন।
এদিকে নেত্রকোণার হাওর এলাকার ফসল রক্ষা বাঁধগুলো ঝুঁকিতে থাকায়, আধপাকা ধানও কেটে ফেলছেন কৃষক। বোরো ২৮ জাতের ধান কাটা হলেও, শঙ্কায় আছেন ২৯ ও হাইব্রিড নিয়ে।
কৃষক বলছেন, এই দুই জাতের ধানের ফলন বেশি হওয়ায় ২৮ না করে, এগুলোই বেশি আবাদ করা হয়েছে। এদিকে, বাঁধ রক্ষার কাজ চলছে তবু বলা হয়েছে ধান কেটে ফেলতে।
আরও পড়ুন: বুক না চিড়েই দ্বিতীয় দফায় হার্টের ভাল্ব স্থাপন
কিশোরগঞ্জে প্রথম দফায় পাহাড়ি ঢলে ধনু নদীর পানি বাড়লেও এখনো ফসলের ক্ষতি হয়নি।
কিন্তু তিন দিন ধরে ধনু নদীর পানি বেড়ে লালপুর খাল দিয়ে বোরো ফসলী জমিতে পানি ঢুকছে। এতে ফসলহানির শঙ্কায় কৃষকরা ধান কাটতে শুরু করেছেন।
একাত্তর/আরএ