ঈদকে সামনে রেখে পোশাক তৈরিতে ব্যস্ত দেশের সবচেয়ে বড় তৈরি পোশাকের পাইকারি বাজার কেরানীগঞ্জের পোশাক পল্লীর কয়েক লাখ শ্রমিক।
এখানে তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন রং ও ডিজাইনের প্যান্ট, শার্ট, গেঞ্জি, থ্রিপিসসহ বহু বাহারি পোশাক।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, করোনার কারণে দু’বছর ব্যবসা না হওয়ায় এবার সে ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার চেষ্টা চলছে।
কেরানীগঞ্জের পাইকারি বাজারে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে এখনো আসছেন পাইকাররা। ফুটপাথেও চলছে ঈদের বেচাকেনা।
ব্যবসায়ীরা জানান, গত কোরবানির ঈদের পর থেকেই পোশাক তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়। আর শবে বরাতের পর থেকে বেচাকেনা চলছে পুরোদমে।
ব্যবসায়ীরা জানান, এখানকার মার্কেটগুলোতে প্রতিদিন গড়ে ৫০ কোটি টাকার বেচাকেনা হয়। ঈদে তা বেড়ে যায় কয়েকগুণ। আর ঈদের পোশাকের প্রায় ৭০ শতাংশ পোশাক কেরানীগঞ্জ থেকেই সরবরাহ হয়।
দিনাজ গার্মেন্টস সত্ত্বাধিকারী আনিসুর রহমান বলেন, করোনার মধ্যে অনেকেই লোন শোধ করার পর আর লোন নিতে পারেনি। ফলে মালের সংকট দেখা দিয়েছে।
কেরানীগঞ্জ গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ও দোকান মালিক সমবায় সমিতি সাধারণ সম্পাদক মুসলিম ঢালীর মতে, ব্যাংকগুলো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঠিকভাবে ঋণ দেয় না। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা ঠিকভাবে ঋণ পেলে ব্যবসা আরো ভালো হতো।
আরও পড়ুন: হাওরে ধানকাটার শ্রমিক সংকট
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলছেন, যে কোনো রুচিশীল তৈরি পোশাক এখানে সহজ মূল্যে পাওয়া যায় বলে পাইকারদের বেশি ঘোরাঘুরি করতে হয় না।
তবে ছোট ব্যবসায়ীরা ব্যাংক ঋণ না পাওয়ায় চাহিদা মতো পোশাক তৈরি করতে পারেননি।
ঈদ মৌসুমে কেরানীগঞ্জে ১২ হাজার পোশাক কারখানায় তৈরি পোশাক, বিশ হাজারেরও বেশি বিক্রয় কেন্দ্রে হাজার কোটি টাকার বেচাকেনা হয়।
একাত্তর/আরএ