শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বাড়ছে যাত্রীচাপ

প্রায় পাঁচ মাস পর মঙ্গলবার থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটে পরীক্ষামূলকভাবে রাতেও ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। এতে পদ্মার প্রধান দুই ঘাটেই যাত্রীর চাপ বেড়েছে। 

পদ্মাসেতুর নিরাপত্তার কারণে গত ডিসেম্বর থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার ঘাটে সন্ধ্যার পর থেকে পারাপার বন্ধ করে দেয়া হয়। 

২৪ ঘণ্টা ঘাট চালু হওয়ার পরেও সকাল থেকেই ঘরমুখো মানুষের চাপ দেখা যাচ্ছে ঘাটে। একই সঙ্গে পারাপারের অপেক্ষায় জমা হচ্ছে ব্যক্তিগত গাড়ি। 

বহরে কম ফেরি থাকায় গাড়ি পার হতে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন শিমুলিয়া-বাংলাবাজার আর মাঝিকান্দি রুটের যাত্রীরা। 

যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে ফেরি বেগম রোকেয়া সকাল ১০টায় সার্ভিসিং পয়েন্টে চলে যায়। দুর্ভোগ কমাতে বহরে আরও ফেরি বাড়ানোর পাশাপাশি ঘাটে শৃঙ্খলার দাবি করেছেন যাত্রীরা।

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের সহ-মহাব্যবস্থাপক শফিকুল ইসলাম জানান, মঙ্গলবার রাত থেকে পারাপারের বহরে যুক্ত হয়েছে আরো একটি ফেরি। 

বুধবার আরো দুটি যুক্ত হওয়ার কথা। এতে করে ১০টি ফেরি চালু থাকবে এবারের ঘাট। ঈদে ঘরমুখো মানুষের বিড়ম্বনা লাঘবে এসব সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। 

ঘাটের এই ব্যবস্থাপক আরো জানান, এখনও চাপ শুরু হয়নি। বৃহস্পতি-শুক্রবার থেকে ফেরিতে চাপ শুরু হবে। চলবে ঈদের প্রায় এক সপ্তাহ পর পর্যন্ত। 

আরও পড়ুন: দৌলতদিয়ায় পারের অপেক্ষায় কয়েকশ’ যান

দশটি ফেরি নিয়মিত চলাচল করবে নৌরুটে। এ বছর সব নৌযান চলাচল করায় যাত্রীদের চাপ কিছুটা সহনীয় থাকবে বলে মনে হচ্ছে।

ফেরিগুলো শিমুলিয়া থেকে বাংলাবাজার যাবে পদ্মা সেতুর ১৪, ১৫ ও ১৬ নম্বর খুঁটির পাশ দিয়ে; আর বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া আসবে সেতুর ১৯,২০ ও ২১ নম্বর খুঁটির পাশ দিয়ে।


একাত্তর/আরএ