গ্যাস না থাকায় চরম ভোগান্তিতে সাভারের বাসিন্দারা

সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য তিতাসের ৪৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকার কারণে চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন আমিন বাজার, হেমায়েতপুর, সাভার, আশুলিয়া ও ধামরাই এলাকার মানুষরা। 

এসব এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগ, এমনিতে প্রায়ই গ্যাস থাকে না লাইনে। তার উপর এবার যে টানা ৪৮ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না, সেটিও জানেন না তারা। যদিও তিতাসের দাবি, গ্যাস না থাকার ঘোষণা ঈদের আগ থেকেই প্রচার করে গেছেন তারা। 

বুধবার সকালে সাভার এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেলো, ঈদের খুশি যেন একদিনেই মিলিয়ে গেলো সেখানের বাসিন্দা রেজিয়া বেগমের। 

সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে ঢুকে দেখেন চুলা জ্বলে না। ফলে চিন্তার ভাজ তার কপালে। সারাদিন খাবেন কি, আর স্বামী সন্তানের মুখেই বা তুলে দিবেন কি, এসব প্রশ্নই বড় এখন।

রেজিয়া বেগমের মতোই ভোগান্তিতে পরেছেন সাভারের বাসিন্দারা। তারা বলছেন, শুধু আজই নয়। মাঝে মাঝেই গ্যাস থাকে না এ এলাকায়। থাকলেও চাপ থাকে না। 

সাভারের ধামসোনা ইউনিয়নের জনবহুল গাজীরচট এলাকার বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে ঘুরে দেখা যায়, গৃহিনীরা গ্যাস লাইনের চুলা জ্বালানোর চেষ্টা করেও কাজ হয়নি।   

সঞ্চালন ও বিতরণ লাইনে জরুরি রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আমিন বাজার, হেমায়েতপুর, সাভার, সাভার ইপিজেড, আশুলিয়া ও ধামরাইতে ৪৮ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ যে বন্ধ থাকবে, সেটা অবশ্য আগেই ঘোষণা দিয়েছিলো তিতাস কর্তৃপক্ষ। 

ফলে, নিরুপায় হয়ে কেও কেও কিনে নিয়েছেন কেরোসিন স্টোভ। যাদের টাকাপয়সা আছে তাদের খাবার আসছে হোটেল থেকে। অনেকেই আবার দুই তিন দিনের খাবার রান্না করে রেখেছেন আগে থেকেই। 

আরও পড়ুন: ঈদের পরদিনও রাজধানী ছাড়তে মানুষের ভিড়

তবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধের কারণে সিএনজি স্টেশনও বন্ধ এসব এলাকায়। ফলে, বন্ধ রয়েছে গ্যাসচালিত গাড়িও। সব মিলিয়ে বড় একটি এলাকায় মানুষ রয়েছে বড় ভোগান্তিতে। 


একাত্তর/এসি