সাতক্ষীরা উপকূলে ঘূর্ণিঝড় অশনির প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। সোমবার (৯ মে) সকাল ৯টা থেকে উপকূলীয় জেলা সাতক্ষীরায় গুড়িগুড়ি বৃষ্টিসহ বইছে দমকা হওয়া।
আশাশুনি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইয়ানুর রহমান বলেন, আমরা ইতিমধ্যে প্রস্তুতিমূলক সভা করে দায়িত্ব বুঝিয়ে দিয়েছি। সাইক্লোন সেল্টারসহ আশ্রয়ের সকল জায়গা প্রস্তুত রয়েছে।
সাতক্ষীরার স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মাসরুবা ফেরদৌস বলেন, আমরা ইতিমধ্যে ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ডকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জেলায় মোট সরকারি-বেসরকারি মিলে ৪৫০টি আশ্রয়ণ প্রকল্প প্রস্তুত রয়েছে। সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দিতে মেডিক্যাল টিম গঠন করা হয়েছে।
তিনি জানান, স্থানীয় চেয়ারম্যানদের শুকনো খাবারের ব্যবস্থা করার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। উপকূলীয় উপজেলা শ্যামনগরকে এক লাখ টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।
মাসরুবা ফেরদৌস আরও বলেন, উপকূলীয় উপজেলা আশাশুনিতে ১৭টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে এবং শ্যামনগরের উপজেলা শ্যামনগরের ২৭টি পয়েন্টে বেড়িবাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ঝালকাঠিতে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি
সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের কর্মকর্তা জুলফিকার আলী বলেন, সাতক্ষীরায় এখন বৃষ্টি হচ্ছে। তবে এটি হওয়া স্বাভাবিক। ঘূর্ণিঝড়টি এখনও এক হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। অশনির এখন যে গতিপথ রয়েছে এই গতিপথ যদি পরিবর্তন নাও হয় তাহলে সাতক্ষীরার উপকূলে এর আঘাত হানার আশঙ্কা কম। তবে ঘূর্ণিঝড়টি আরও শক্তি সঞ্চার করেছে।
তিনি বলেন, সাতক্ষীরা উপকূলীয় অঞ্চলকে দুই নম্বর দূরবর্তী সর্তকতা সঙ্কেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে।
একাত্তর/এসি