গত এক সপ্তাহ ধরে মেহেরপুরে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যিা ক্রমশ বেড়েই চলেছে। প্রতিদিনই অসংখ্য রোগী ভর্তি হচ্ছেন হাসপাতালে। শনিবার মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন ডায়রিয়া রোগী। আর এখন পর্যন্ত এই হাসপাতালটিতে মোট ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা ৫৪২ জন।
কিন্তু চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের যেন ভোগান্তি শেষ নেই। কারণ, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে জায়গা নেই, আছে চিকিৎসক সংকট। সেই সাথে আছে ঠিক সময়ে সঠিক সেবা না পাবার অভিযোগ।
হাসপাতালটিতে আসা অনেকেই বলছেন, এমন পরিস্থিতিতে নানা রকম শঙ্কা নিয়ে কোন রকমে চিকিৎসা পেলেও তাতেও কিছুটা স্বস্তি তাদের। অনেকেরই ওয়ার্ডে জায়গা না পেয়ে ঠাঁই নিয়েছেন হাসপাতালের বারান্দায়, মেঝেতে, করিডোরে।
প্রতিদিন এতো ডায়রিয়ার ভর্তি দেখে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন চিকিৎসক নার্সসহ অন্যান্য কর্মকর্তারাও। নার্সরা বলছেন, ডায়রিয়া ওয়ার্ডে এতো রোগী তারা আগে কখনো দেখেননি। আর তাই গাদাগাদি করে থাকতে হচ্ছে এসব রোগীদের।
হাসপাতালটির আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. মকলেচুর রহমান জানিয়েছেন, হাসাপাতালে শয্যা সংখ্যা ১০টি। পরিস্থিতি সামাল দিতে ডরমিটরিতে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত ওষধ রয়েছে। আইসিডিডিআরবি রোগীদের নমুনা সংগ্রহ করে তা পরীক্ষা করেছে।
এতে কলেরার জীবাণু পাওয়া গেছে, যা পানি অথবা খাবারের মাধ্যমে ছড়ায়। কোন এলাকার পানি বা খাবারে এ জীবাণু রয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত নন তারা। তিনি বলছেন, রোগীদের বেশির ভাগই শহরের বাসিন্দা।
একাত্তর/ এনএ