মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাটে বিজিবি মোতায়েন করা হলেও, সব কিছু ভেদ করে ঘরমুখো মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন ঘাটে। আজ রোববার সকাল আটটায় ফেরি কুমিল্লা এবং ৯.৫৮ তে শাহ পরাণ ফেরি দুটি জরুরী ভিত্তিতে ছাড়লেও, দুটি ফেরিতেই ছিলো যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড়। এসময় স্বাস্থ্যবিধির তোয়াক্কা করছিলো না লোকজন।
লৌহজং উপজেলার ভুমি কর্মকর্তা মো: হোসেন জানান, ঢাকার অভিমুখে গাড়ি ঠেকাতে এক প্লাটুন বিজিবি এবং শিমুলিয়ার অভিমুখে এক প্লাটুন বিজিবি মোতায়ন করা হলেও বিজিবি সদস্যরা এর চাপ সামলাতে হিমশিম খাচ্ছেন। পায়ে হেঁটে বা নানান উপায়ে ঢাকা থেকে যাত্রীরা ঘাটে ভিড়লেও, ব্যক্তিগত কোন গাড়ি ঘাটে আসতে দেখা যায়নি।
বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের মেরিন ব্যবস্থাপক আহাম্মদ আলী জানান, জরুরী প্রয়োজনে এই রুটে চারটি ফেরি চালু রাখা হয়েছে। এর মধ্যেই যাত্রীরা দৌড় ঝাপ করে উঠে পড়ে।
আরও দেখুন: ফেরিঘাটে বিজিবি মোতায়েন
শুক্রবার মধ্যরাতে বিআইডব্লিউটিসি থেকে ঘোষণাদেওয়া হয়, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে শনিবার থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজারও দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া রুটে দিনে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকবে। রাতে শুধু পণ্যবাহী পরিবহনপারাপারের জন্য ফেরি চলবে।
তবে শনিবার ভোর থেকেই ঘরমুখো মানুষ শিমুলিয়াঘাটে জড়ো হতে শুরু করেন। যাত্রীদের রোষানলে পড়ে শেষ পর্যন্ত ফেরি চালাতে বাধ্য হয়ঘাট কর্তৃপক্ষ।
একাত্তর/এসজে