১১তম দিনে গড়ালো চা শ্রমিকদের আন্দোলন

চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় এগারতম দিনে গড়িয়েছে তাদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন।

তবে শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ উৎসব জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রাসহ নানা আনুষ্ঠানিকতার কারণে বাগানগুলোতে মিছিল-মিটিং সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে। 

বুধবার (১৭ আগস্ট) শ্রম অধিদপ্তরে মালিকপক্ষের সাথে মিটিং কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার (১৮ আগস্ট) জেলার শ্রীমঙ্গলে অবস্থিত চা শ্রমিকদের কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের প্রধান কার্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বৈঠকে বসেন শ্রমিক নেতারা। 

সেখানে চা বাগানগুলোর পঞ্চায়েত সভাপতি ও সম্পাদকসহ বিভিন্ন ভ্যালীর নেতারা অংশ নেন। তারা মালিকপক্ষের প্রস্তাবকে প্রত্যাখ্যান করে মজুরি তিনশ' টাকা করার দাবিতে তাদের কর্মবিরতিসহ আন্দোলন চালিয়ে যাবার পক্ষে মতামত দেন। 

এদিকে, শ্রমিক নেতাদের এই সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর শুক্রবার (১৯ আগস্ট) সকাল থেকে পূর্ণদিবস কর্মবিরতিসহ স্ব স্ব বাগানের ভেতরে মিছিল-মিটিং করেছেন সাধারণ শ্রমিকরা। 

আরও পড়ুন: হবিগঞ্জের ২৪টি চা বাগানে শ্রমিক কর্মবিরতি অব্যাহত

তবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বৃহৎ উৎসব জন্মাষ্টমীর শোভাযাত্রাসহ নানা আনুষ্ঠানিকতার কারণে বাগানগুলোতে মিছিল-মিটিং সংক্ষিপ্ত করা হয়। শনিবার (২০ আগস্ট) থেকে তাদের আন্দোলন আরও বেগবান হবে বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা। 

বিভিন্ন বাগান ঘুরে দেখা গেছে, শ্রমিকদের কর্মবিরতির ফলে ফ্যাক্টরির প্রধান ফটকগুলো বন্ধ রয়েছে। চা বাগানে যে কুড়ি পাতা তোলা হতো, সেগুলো গত দশ দিন ধরে তুলতে না পারায় অনেকটা ব্যবহার অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। 


একাত্তর/এসজে