ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন চাষীরা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাল্টার চাষে ঝুঁকে পড়েছেন চাষীরা। ২০১৫ সালে এর চাষ শুরু হলেও জেলায় এখন মাল্টার ছোট-বড়ো প্রায় দুই হাজার বাগান রয়েছে। চাষীরা বলছেন, মাল্টা চাষে অধিক লাভ ও নতুন উদ্যোক্তা তৈরি হওয়ায় কৃষক এ ফল চাষে ঝুঁকছেন। তাছাড়া ফলটি বারোমাসী হওয়ায় এটি এখন কৃষকের আগ্রহের কারণ।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কৃষি অফিসের সূত্র জানায়, জেলার সবকটি উপজেলায় মাল্টার আবাদ হলেও বিজয়নগরে মাল্টা বাগানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। শুধু এই উপজেলায়ই এ বছর ৬৫ হেক্টর জমিতে মাল্টার আবাদ হয়েছে। উপজেলার সিঙ্গারবিল, পাহাড়পুর ও বিষ্ণুপুরের তিনটি ইউনিয়নে বাগানের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। 

জেলায় ছোট-বড়ো প্রায় দুই হাজার বাগানে আবাদ হচ্ছে বারি-১, বাউ-৩ ও থাই বারোমাসী জাতের মাল্টার। 


বাগান মালিকরা বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর মাল্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। লাভজনক হওয়ায় দিন দিন বাগানের পরিধি বাড়ছে। পাশাপাশি অনেকেই নতুন বাগান তৈরিতে বেশ আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। 

ব্রাহ্মণবাড়িয়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাব্বির আহমেদ বলেন, নতুন নতুন বাগান তৈরির কারণে মাল্টার আবাদ ও উৎপাদন আরও বাড়বে। এছাড়া লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ ব্যবস্থাপনা উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় ছোট, বড়ো ও মাঝারি কৃষকদের চারা, সার, কীটনাশকসহ প্রয়োজনীয় উপকরণসহ কারিগরি সহায়তা দেয়া হচ্ছে।  


জেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা সুশান্ত সাহা জানান, মাল্টার আবাদকে জনপ্রিয় করে তুলতে বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। চলতি মৌসুমে প্রায় ২৭ কোটি টাকার মাল্টা উৎপাদিত হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি আরও জানান, চলতি বছর  প্রায় ১৪১ হেক্টর জমিতে মাল্টার আবাদ হয়েছে, যা গত বছরের তুলনায় ছয় হেক্টর বেশি।


একাত্তর/এনএ/এসি