মেহেরপুরের বাওট বাজারে আশা এনজিও শাখা অফিসের কর্মচারী হৃদয় হোসেন (২৩) নিখোঁজের ঘটনায় শাখা ম্যানেজার হামিনুল ইসলামকে খুন করে মরদেহ গুমের অভিযোগে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা।
তবে শনিবার (১ অক্টোবর) বিকাল থেকে নিখোঁজ হৃদয়ের সন্ধান এখনও মেলেনি।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ম্যানেজার হামিনুলের সঙ্গে হৃদয় হোসেনের ব্যক্তিগত বিরোধ ছিল। এর জের ধরে হৃদয়কে হত্যা করে মরদেহ গুম করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। শনিবার বিকেলে থেকে হৃদয় নিখোঁজ থাকায় রোববার সকালে হৃদয়ের পরিবারের লোকজন স্থানীয়দের নিয়ে বাওট বাজারে আশা এনজিও কার্যালয়ে যান।
তারা আরও জানান, এসময় বাইরে থেকে অফিসটি তালাবন্ধ ছিল। তবে সেখানে মেঝেতে রক্ত দেখতে পেয়ে লোকজন পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ তালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে বিভিন্ন স্থানে রক্তের দাগ এবং রক্তমাখা একটি বটি উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, এসময় ম্যানেজার হৃদয়কে হত্যা করে মরদেহ গুম করেছেন- এমন অভিযোগ তুলে স্থানীয়রা ম্যানেজারকে গণধোলাই দেয়। পরে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে।
আরও পড়ুন: কাভার্ডভ্যানের চাপায় মোটরসাইকেল আরোহী কলেজছাত্র নিহত
ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে গাংনী থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, আটক ম্যানেজার হৃদয় সম্পর্কে কিছুই বলতে পারছেন না। অফিসে পড়ে থাকা রক্ত নিয়েও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। এখনও পর্যন্ত হৃদয়ের খোঁজ মেলেনি। পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
একাত্তর/জো