ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলের নিচু এলাকায় স্বাভাবিকের চেয়ে চার থেকে পাঁচ ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস হচ্ছে। ভোলার মনপুরায় চার-পাঁচ ফুট জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে সাতটি গ্রাম। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষ।
নোয়াখালীর হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপের চারটি গ্রামসহ নিচু এলাকা জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। হাতিয়ার চারপাশে নদীতে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে পানি বেড়েছে ৩-৪ ফুট। আর নিঝুম দ্বীপে বেড়িবাঁধ না থাকায় পানিতে তলিয়ে গেছে চারটি গ্রাম।
এদিকে, মঙ্গলবার (২৫ মে) সকাল থেকে উত্তাল পটুয়াখালীর কুয়াকাট সৈকত। পানি বেড়ে সৈকতের শুটকি পল্লী ও ঝিনুক পল্লীর সব দোকান ভেসে যায়।
অন্যদিকে, জোয়ারের পানি দেবপুর এলাকার ভাঙা বেড়িবাঁধ দিয়ে ঢুকে পড়েছে কলাপাড়ার ১০টি গ্রামে। জমিসহ বসতঘর তলিয়ে গেছে। মানুষ আশ্রয় নিয়েছে উঁচু বাঁধে।
পটুয়াখালী উপকূলের রাঙ্গাবালীতে জোয়ারে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে পানি ঢুকে পড়েছে নিচু এলাকায়। পানি বেড়েছে ৩-৪ ফুট। এরিমধ্যে ভেসে গেছে পুকুর ও ঘেরের মাছ। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে কাঁচা ঘরবাড়ি।
ঘুর্ণিঝড়ের প্রভাবে উত্তাল রয়েছে ভোলা উপকূলের মেঘনা নদী। এরিমধ্যে চর ফ্যাশনের দুর্গম ঢাল চর ইউনিয়নের ১০টি গ্রাম জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে প্রায় চার হাজার মানুষ।
খুলনার উপকূলে দমকা বাতাসের সঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে থেমে থেমে। পাইকগাছার শিবসা নদিতে জোয়ারের পানির উচ্চতা এক থেকে দেড় ফুট বেড়েছে। সাতক্ষীরা উপকূলে জেলায় ১৫৫ টি সাইক্লোন শেল্টার ও এক হাজার ৪১৫টি স্কুল-কলেজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
একাত্তর/আরবিএস