ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলার বিভিন্ন জনপদ লণ্ডভণ্ড হয়ে গেছে। সোমবার রাত থেকে ভোর পর্যন্ত ভারী বৃষ্টিপাত ও ঝড়ে জেলার সাত উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে প্রায় দুই শতাধিক ঘরবাড়ি, দোকানপাট ও বহু গাছপালা বিধ্বস্ত হয়েছে। এসময় গাছ চাপাসহ আঘাত পেয়ে ও পানিতে ডুবে জেলায় চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন- ভোলা সদর উপজেলার ধনিয়া ইউনিয়নের মেইকার বাড়ির মফিজল ইসলাম (৬০)। তিনি ঘর চাপা পড়ে নিহত হন। দৌলতখান উপজেলায় বিবি খাদিজা (২০)। তিনিও ঘর চাপায় নিহত হন।
এছাড়া লালমোহন উপজেলার লড হাডিঞ্জ ইউনিয়নে ফাতেমা বাদ গ্রামে রাবেয়া (৩০) পানিতে ও চরফ্যাশন উপজেলার হাজারিগঞ্জ ইউনিয়নে মোটরসাইকেলে যাওয়ার সময় গাছের ঢালার সাথে আঘাত পেয়ে মনির (৩০) নামে এক যুবক নিহত হন।
এর আগে জোয়ারের অস্বাভাবিক পানিতে তলিয়ে যায় ঘরবাড়ি, দোকানপাট, ফসলি জমি এবং মাছের ঘের। বিদ্যুৎ বিছিন্নসহ দুর্বল হয়ে পড়েছে মোবাইল নেটওয়ার্ক।
আরও পড়ুন: ১১ প্রাণ কেড়ে নিলো ঘূর্ণিঝড় সিত্রাং
অপরদিকে ভোলা-চরফ্যাশন ও ভোলা-দৌলতখান আঞ্চলিক সড়কে গাছ ভেঙে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে।
ভোলা জেলা ত্রাণও পুনর্বাসন কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানিয়েছেন, তাদের হিসেবে ভোলার দৌলতখান ও সদর উপজেলার পরে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আশ্রয় কেন্দ্র থেকে মানুষ ঘর বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে।
একাত্তর/এসি