এমসি কলেজের ধর্ষণ মামলা যাচ্ছে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে

সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তরের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এ আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৫ ডিসেম্বর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুব ও বিচারপতি আহমেদ সোহেলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেয়। এ আদেশের পর চাঞ্চল্যকর মামলাটি দ্রুত নিষ্পত্তি ও সুবিচার পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী হয়েছেন বাদীপক্ষের আইনজীবীরা।

বাদী পক্ষের প্রধান প্রসিকিউটর এডভোকেট শহীদুজ্জামান জানান, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণের চাঞ্চল্যকর মামলাটি গত বছর ১৪ই ফেব্রুয়ারি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় চাঞ্চল্যকর ও লোমহর্ষক মামলার জেলা মনিটরিং কমিটি। কিন্তু রহস্যজনক কারণে সেই সিদ্ধান্ত কার্যকরে কোন ব্যবস্থা নেয়নি জেলা প্রশাসন। বাধ্য হয়ে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর চেয়ে গত ১ আগস্ট হাইকোর্টে রিট করেন ধর্ষণের শিকার তরুণীর স্বামী। সেই রিটের শুনানি শেষে হাইকোর্ট এই আদেশ দেন। 

প্রসিকিউটর এডভোকেট সিরাজুল ইসলাম অভিযোগ করেন, মামলার সব আসামি ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রনেতা হওয়ায় নানাভাবে বিচার কার্যক্রম ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। যে কারণে চার্জশিট দেয়ার দুই বছরেও শুরু হয়নি মামলার বিচার।

আরও পড়ুন: পলাশে অজ্ঞাত তরুণের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার

উল্লেখ্য, ২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে বেড়াতে যান এক নববিবাহিত দম্পতি। এসময় ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে ওই তরুণীকে দলবেঁধে ধর্ষণ করে ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আট ছাত্রলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করে তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দেয় পুলিশ। 


একাত্তর/জো