আস্তে পড়ায় মাদরাসার শিশুকে দুই দফা পিটিয়ে জখমের অভিযোগ

বরিশালে এক মাদরাসা শিক্ষার্থীকে দুই দফা পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্যাতনের শিকার শিশুটির মা স্থানীয়দের কাছে বিচার চেয়ে না পেয়ে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। পরে পুলিশ ওই শিক্ষককে আটক করেছে।

গত ১৯ ও ২০ ফেব্রুয়ারি জেলার আগৈলঝাড়া উপজেলার রাজিহার ইউনিয়নের রাংতা নুরানী, হাফেজি, কওমীয়া মাদরাসা ও এতিমখানায় এ ঘটনা ঘটনা ঘটে।

নির্যাতনের শিকার ছাত্রটি (১১) ওই মাদরাসার নাজেরা বিভাগে পড়ে।

আটক শিক্ষকের নাম মো, জহিরুল হক। তিনি মাদারীপুর জেলার পশ্চিম খাকদী গ্রামের বাসিন্দা।

ওই ছাত্রের স্বজনরা জানান, শিক্ষক তাকে পড়তে বলেছিলেন। কিন্তু দাঁতে ব্যথা থাকায় সে আস্তে পড়ছিল। এতে শিক্ষক ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে কিল-ঘুসি মেরে আহত করেন। পরে মা শিশুটিকে বাড়িতে নিয়ে চিকিৎসা দেন।

তারা জানান, পরদিন মাদরাসায় গেলে শিশুটিকে দ্বিতীয় দফায় লাঠি দিয়ে এলোপাথাড়ি পিটিয়ে রক্তাক্ত করেন ওই শিক্ষক। এ ঘটনায় শিশুটির মা নির্যাতনের বিষয়টি স্থানীয়দের জানিয়ে কোনো সুরাহা পাননি। পরে থানায় অভিযোগ দেন। 

একই কথা জানায় আহত শিশুটি। সে বলে, আস্তে পড়ার কারণে শিক্ষক পর পর দুই দিন  পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।

শিশুটির মা বলেন, নির্যাতনের বিষয়টি নিয়ে এলাকার বিভিন্ন জনের কাছে বলে কোনো সমাধান পাইনি। তাই পরে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দিয়েছি। 

আরও পড়ুন: উখিয়া ক্যাম্পে হামলা, দুই শিশুসহ রোহিঙ্গা নেতা গুলিবিদ্ধ

এদিকে অভিযুক্ত শিক্ষক বলেন, ওই শিশুকে মারধর করা হয়নি। পায়ের সঙ্গে ধাক্কা লেগে পড়ে গিয়ে সে আহত হয়েছে।  

আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মো. মাজহারুল ইসলাম জানান, অভিযোগ পেয়ে শিক্ষককে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 


একাত্তর/এসি