রূপপুর বিদ্যুতকেন্দ্রের গাড়িচালক হত্যায় মামলা, নারী রিমান্ডে

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের গাড়িচালক সম্রাট হোসেন হত্যায় মামলা হয়েছে। শনিবার (২৫ মার্চ) রাতে নিহতের বাবা আবু বক্কার বাদি হয়ে ঈশ্বরদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন।

মামলায় সম্রাটের বন্ধু আব্দুল মমিন, তার স্ত্রী সীমা খাতুনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ৩/৪ জনকে আসামি করা হয়েছে।

সম্রাট রূপপুর প্রকল্পের নিকিমত নামে একটি কোম্পানির গাড়িচালক ছিলেন। 

এর আগে ২৪ মার্চ (শুক্রবার) রাতে সম্রাটের বন্ধুর স্ত্রী সীমা খাতুনকে আটক করে পুলিশ। আটকের পরে সীমা পুলিশের কাছে হত্যার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছে বলে জানা গেছে। তবে বন্ধু আব্দুল মমিন এখনও পলাতক। 

এদিকে এই হত্যার প্রকৃত কারণ জানতে রোববার (২৬ মার্চ) দুপুরে আটক সীমা খাতুনকে পাবনায় চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের আমলি আদালত-২ এ হাজির করা হয়। 

পরে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ঈশ্বরদী থানার এসআই তহিদ হোসেন বিচারক শামসুজ্জামানের আদালতের পাঁচ দিনের জন্য রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

আরও পড়ুন: বড় ভাইকে বাঁচাতে গিয়ে নদীতে ডুবলো ছোট ভাইও

প্রসঙ্গত, ২৫ মার্চ (শনিবার) সকালে পাবনার সীমান্তবর্তী কুষ্টিয়ার শিলাইদহ ঘাট এলাকায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের একটি গাড়ি পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা। পরে গাড়ির কাছে গেলে ভেতর থেকে দুর্গন্ধ পেয়ে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সাদা রঙের প্রাডো জিপের ভেতর থেকে সম্রাট নামে ওই গাড়ি চালকের মরদেহ উদ্ধার করেন। এর আগে গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ) থেকে নিখোঁজ ছিলেন তিনি। 


একাত্তর/এসি