বেহাল রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট। গত বর্ষায় ভাঙনের কারণে এখনও বন্ধ সাতটি ফেরি ঘাটের মধ্যে চারটি। এছাড়া পানি কমায় সচল থাকা ঘাটের এ্যাপ্রোচ সড়ক ও র্যাম উঁচু হওয়ায় যানবাহন উঠানামায় প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। অন্যদিকে পদ্মায় চর জেগে উঠায় ফেরিগুলোকে চলতে হচ্ছে ভোগান্তি নিয়েই।
পারাপারের গুরুত্বপূর্ণ ঘাট দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ার দৌলতদিয়ার সাতটি ফেরির মধ্যে ৪টিই বন্ধ।
এদিকে পদ্মার পানি কমায় সচল থাকা তিনটি ঘাটের র্যাম ও এ্যাপ্রোচ সড়ক উঁচু হয়ে যাওয়ায় যানবাহনগুলোকে ফেরিতে উঠানামা করতে হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে।
যানবাহন চালকরা বলছেন, আসছে ঈদের আগে ঘাট মেরামত করা না হলে বাড়বে ভোগান্তি।
একজন চালক জানান, জ্যামে দীর্ঘক্ষণ দাড়িয়ে থেকে ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের। অনেক সময়ই ফেরি দেরি করে আসে। মাঝে মাঝে তা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টাও হয়ে যায়।
আরেকজন অভিযোগ করেন বলে, জায়গাটি ভাঙা হওয়ায় ট্রাক নিয়ে উঠতে সমস্যা হয় তাদের। তাছাড়া রেকারের সহায়তায় ওঠাটাও বেশ ব্যয়বহুল। প্রতিবারের জন্য গুনতে হয় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা।
ফেরি চালকরা জানান, পদ্মায় চর জেগে উঠায় নদীতে ওয়ানওয়ে চ্যানেল করা হয়েছে। ফলে একসাথে দুটো ফেরি ক্রসিং করতে সমস্যা হচ্ছে।
তবে ঘাটের দায়িত্বে থাকা বিআইডব্লিউটি’এ কর্তৃপক্ষ জানান, পানি বাড়লে ঘাট স্বাভাবিক হবে।
বিআইডব্লিটিএ’র সহকারী প্রকৌশলী শাহ আলম জানান, আসা করছি পানি বাড়লে আর এখনকার মতো অসুবিধা থাকবে না। মাসের শেষের দিকে কিছুদিনের জন্য এমন হয়।
আরও পড়ুনু: ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার
পদ্মা সেতু চালু হওয়ার পর থেকে শিমুলিয়া বাংলাবাজারের ফেরিগুলো দৌলতদিয়া পাটুরিয়ায় নিয়ে আসায় কমেছে ফেরি সঙ্কট। তবে ঘাটের ভোগান্তি দূর করার দাবি জানিয়েছেন দক্ষিণাঞ্চলের মানুষ।
একাত্তর/আরএ