রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাট এলাকায় ঘরের জানালা দিয়ে গুলি করে ছাত্রলীগ নেতা সবুজকে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে গ্রেপ্তারকৃত এক আসামি।
বুধবার দিবাগত রাত পৌনে এগারোটার সময় রাজবাড়ী সদর উপজেলার হাউলি জয়পুর এলাকায় নিজ বাড়ির সামনে থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেপ্তারকৃত আসামি আজিজুল ইসলাম যুবরাজ ওই এলাকার মো. আলমগীর হোসেনের ছেলে।
এর আগে সবুজ হত্যা মামলায় গোলাম মোস্তফা শেখ (৩৪) নামে অপর এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশ।
রাজবাড়ী জেলা গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান খান জানান, ছাত্রলীগ নেতা হত্যা মামলায় জেলা পুলিশসহ গোয়েন্দা পুলিশ সদস্যরা যৌথভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গোপন খবরের ভিত্তিতে যুবরাজকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্রেরণ করা হলে তিনি বিচারকের সামনে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
ডিবির ওসি আরও জানান, পূর্ব শত্রুতা ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং ঈদকে সামনে রেখে নৌকার ব্যবসার ভাগাভাগির জন্য এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।
গত ২৩ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সদর উপজেলার বরাট ইউনিয়নের উড়াকান্দা গ্রামের শামসুল আলম শেখের ছেলে বরাট ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সভাপতি ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক শেখ সুমন সবুজকে তার বাড়িতে ঘরের মধ্যে গুলি করে ৩০-৩৫ জনের একটি দল। ওই দিনই রাত সাড়ে ১২টার দিকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে সবুজ মারা যান। নিহত সবুজের বন্ধু সজীব গুলিবিদ্ধ হয়ে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।
আরও পড়ুন: ছাগল নিয়ে বিরোধের জেরে হামলায় কৃষক নিহত
সবুজ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গত ২৫ এপ্রিল বিকেলে নিহতের বাবা শামসুল আলম বাদি হয়ে অজ্ঞাতদের আসামি করে রাজবাড়ী সদর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
একাত্তর/জো