দেশে ফিরলেন ভারতে আটকা পড়া ৯ নাবিক

ভারতীয় জলসীমায় দুর্ঘটনায় পড়ার পর ভারতের দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার হেমনগর কোস্টাল পুলিশের হেফাজতে থাকা ৯ বাংলাদেশি নাবিক দেশে ফিরেছেন। 

শুক্রবার বিকেলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যকার আলোচনার মাধ্যমে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়ায় তাদের সুন্দরবন সংলগ্ন কাচিকাঠি খাল দিয়ে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়। এসময় প্রত্যাবাসনকৃত নাবিকদের নিয়ে দুর্ঘটনার শিকার নৌযানটি অপর একটি জাহাজের সহায়তায় টোইংয়ের মাধ্যমে দেশে আনা হয়।

নাবিকসহ দুর্ঘটনাকবলিত নৌযানের প্রত্যাবাসনকালে অন্যান্যের মধ্যে বিজিবি-১৭ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ কামরুল আহসানসহ দু’দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও পুলিশসহ স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।

ফিরে আসা নাবিকরা হলেন চট্টগ্রামের মীরসরাই থানার বাঁশখালী গ্রাামের মোঃ মোস্তফার ছেলে মোহাম্মদ আবুল কাশেম, মোক্তার হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন অপু, মোহাম্মদ শামশেদ আলমের ছেলে আজমির হোসেন মুন্না, লুদ্ধাখালী গ্রামের মো. সাইফুল্লাহর ছেলে মোহাম্মদ ইউসুফ, মধিয়াম শালারাত গ্রামের মো. মফিজ মিয়ার ছেলে মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, সীতাকুণ্ড থানার পূর্ব সৈয়দপুর গ্রামের মো. ওয়াসিমের ছেলে মোহাম্মদ তাবাসসুম ইউসুফ, ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার মালোয়ারা গ্রামের কাদের হাওলাদার ছেলে জাকির হোসেন হাওলাদার, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার গোপালপুর গ্রামের মো. মিন্টু খানের ছেলে মোহাম্মদ ফাহিম খান ও নড়াইলের চরদিঘিলিয়া গ্রামের অলিয়ার

রহমান শেখের ছেলে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর শেখ।

প্রত্যাবাসনের দায়িত্বে থাকা বিজিবি ও ফিরে আসা নাবিকরা জানান, বাংলাদেশ থেকে ভারতে যাওয়ার সময় গত ২৪ ফেব্রুয়ারি তাদের বহনকারী নৌযান ভারতীয় জলসীমায় দুর্ঘটনায় পড়ে। এ দুর্ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশী ৯ নাবিককে ভারতের হেমনগর কোস্টাল পুলিশের নিজেদের হেফাজতে রেখে দেয়।

আরও পড়ুন: গাংনীতে জমিজমার বিরোধে ভ্যানচালককে কুপিয়ে হত্যা

এছাড়া দুর্ঘটনা কবলিত নৌযানসহ এমভি রাফসান হাবিব-৩ (এম নং ০১-১২৮০) তাদের দায়িত্বে ছিল। আটকে পড়া নাবিকদের পরিবারসহ অপরাপর বিভিন্ন সুত্রে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) বিষয়টি জানতে পেরে নাবিকদের উদ্ধারে তৎপরতা শুরু করে। 

এক পর্যায়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সদর দপ্তরের নির্দেশনায় নীলডুমুর ব্যাটালিয়ন (১৭ বিজিবি) এর সহায়তায় ভারতীয় পুলিশের হেফাজতে থাকা নাবিকদের উদ্ধারে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরু করে।


একাত্তর/এসজে