জমে উঠেছে গাজীপুর সিটি নির্বাচন। ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে ভোট প্রার্থনা করছেন প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগ প্রার্থী আজমত উল্লা খান জয়ের ব্যাপারে শতভাগ আশাবাদী।
নির্বাচিত হলে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনকে জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত করার প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন তিনি। তবে প্রচারে বাধা দেয়ার অভিযোগ করেছেন টেবিল ঘড়ির প্রার্থী।
নির্বাচনকে ঘিরে প্রার্থীদের প্রচারের লড়াই যখন তুঙ্গে ভোটাররাও হিসেব কষছেন প্রার্থীদের অতীত বর্তমানের খতিয়ানের।
কয়েকজন ভোটার জানান, তারা যাকে যোগ্য মনে করবেন- তাকেই ভোট দিবেন। রাস্তাঘাটসহ অন্যান্য অবকাঠামো গড়ার পাশাপাশি সামগ্রিক উন্নয়নে জনগণের পাশে সবসময় যিনি থাকবেন- তাকেই মেয়র হিসেবে দেখতে চায় গাজীপুরবাসী।
ভোটারদের মন জয় করতে নানা রকম প্রতিশ্রুতি দিয়ে যাচ্ছেন প্রার্থীরা। জানাচ্ছেন গাজীপুর সিটিকে ঘিরে তাদের নানা রকম পরিকল্পনার কথা।
নৌকার প্রার্থী এডভোকেট আজমত উল্লা বলছেন, নির্বাচিত হলে তিনি জনবান্ধব ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সিটি কর্পোরেশন উপহার দেবেন।
তিনি বলেন, কাজে যদি স্বচ্ছতা থাকে, জবাবদিহিতা থাকে এবং জনগণের যদি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা যায়- তাহলেই দুর্নীতিমুক্ত সিটি কর্পোরেশন নিশ্চিত করা যেতে পারে। আমার সে অভিজ্ঞতা আছে।
নৌকার প্রার্থী ছাড়াও গাজীপুরে এবার আলোচনায় টেবিল ঘড়ি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী জায়েদা খাতুন। নির্বাচনে প্রচারে নানা মুখী বাধার অভিযোগ করছেন তিনি।
মেয়র প্রার্থী জায়েদা খাতুন বলেন, তারা আমাদের নানানভাবে হেনস্থা করছে।
গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে এবার মেয়র প্রার্থী মোট ৮ জন। সংরক্ষিত ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৭৭ জন। সাধারণ ওয়ার্ড কাউন্সিলর পদে ২৩৯ জন।
আরও পড়ুন: মন্ত্রী ও ভিআইপিদের নিরাপত্তায়ও আনসার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
২৫ মে ভোটের আগে চলতি সপ্তাহ জুড়ে তুঙ্গে উঠবে ঢাকার সবচেয়ে কাছের এই সিটি নির্বাচনের প্রচার।
একাত্তর/আরএ