বান্দরবানে নিহত সেনার দাফন সম্পন্ন

বান্দরবানে সন্ত্রাসী সংগঠন কুকি-চিন ন্যাশনাল ফ্রন্টের (কেএনএফ) বিস্ফোরণে নিহত সেনা সদস্য তুজাম খানের মরদেহ রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে দাফন করা হয়েছে। 
গত পহেলা জুন জেলার রুমা উপজেলার ছিলোপি পাড়ায় সন্ত্রাসীদের বিস্ফোরণে তিনি নিহত হন। তুজাম রাজবাড়ী জেলার পাংশা উপজেলার সরিষা ইউনিয়নের জাগির বাগলি গ্রামের মো. লুকমান মাস্টারের ছেলে।
শুক্রবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে হেলিকপ্টারে করে তুজামের মরদেহ উপজেলার কসবামাজাইল আতাহার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আনা হয়। সেখানে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গার্ড অব অনার ও জানাজা শেষে দাফন করা হয়। 
গার্ড অব অনার দেন যশোর ক্যান্টনমেন্টের ক্যাপ্টেন মাহফুজ রহমানসহ অন্য অফিসারবৃন্দ।
আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) তথ্যে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় গত বৃহস্পতিবার সেনাবাহিনীর একটি টহল দল কেএনএফের সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের সদর দপ্তরসহ একটি গোপন প্রশিক্ষণ ক্যাম্প দখল করে।


কেএনএফের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প এলাকার আশে পাশে বসবাসরত স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তাদের নিরাপত্তার স্বার্থে রুমা সেনা জোনের একটি টহল দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে ওই ক্যাম্পের উদ্দেশে যাত্রা করে। প্রশিক্ষণ ক্যাম্পের কাছাকাছি পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। তবে ৯ টা ২০ মিনিটে সেনা টহল দলটি সন্ত্রাসীদের বিক্ষিপ্তভাবে পুঁতে রাখা ইম্প্রোভাইসড এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস (আইইডি) বিস্ফোরণের কবলে পড়ে। বিস্ফোরণে আহত এক সেনা সদস্যকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হেলিকপ্টার যোগে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সৈনিক তুজাম (৩০) মারা যান।
আরও পড়ুন: ৬৬ দিন পর করোনায় মৃত্যু দেখলো দেশ, শনাক্ত ৮৯
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রায় এক যুগ আগে সৈনিক হিসেবে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তুজাম খান। তার স্ত্রী ও তিন বছর বয়সী দুটি যমজ কন্যা সন্তান রয়েছে।

একাত্তর/এসি