খুলনায় প্রচারে নেমে বাকযুদ্ধে জড়াচ্ছেন প্রার্থীরা

খুলনা সিটি নির্বাচনে প্রচারে নেমে একে অপরের বিরুদ্ধে বাকযুদ্ধে জড়িয়েছেন প্রার্থীরা। এখন পর্যন্ত মেয়র পদের কর্মী-সমর্থকরা কোন ধরনের সংঘাতে না জড়ালেও ১৩৬ জন কাউন্সিলর প্রার্থীর মধ্যে বাড়ছে উত্তেজনা। ভোটের প্রচারের চেয়ে নালিশ হচ্ছে বেশি। 

নির্বাচন অফিসে এসে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। তবে, নির্বাচন কর্মকর্তারা সোজা জানিয়েছেন, ভোট সুষ্ঠু করতে তারা কঠোর অবস্থানে রয়েছেন। যে কোন অভিযোগ প্রমাণ হলেও ব্যবস্থা নিতে দেরি করবে না ইসি।

আগামী ১২ জুন অনুষ্ঠেয় কেসিসি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে না ক্ষমতাসীনদের প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি। এ অবস্থায় মোটামুটি নিরুত্তাপ ভোটের মাঠে। তবে, এরই মধ্যে প্রচারে উত্তাপ ছড়িয়েছেন কাউন্সিলর প্রার্থীরা। তাদের প্রচার পরিণত হয়েছে বাকযুদ্ধে। 

খুলনা সিটি নির্বাচনে ২২ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ বিকু কাজী এবং তাজুল ইসলামের নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর করে পরষ্পরের সমর্থকরা। এ ঘটনায় রিটার্নিং অফিসারের কাছে একে অপরের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন তারা।

এদিকে, ১৬ নং ওয়ার্ডেও কয়েকটি সংঘাতের ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ করেছেন দুই কাউন্সিলর প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী শেখ হাসান ইফতেখার চালু ও আনিসুর রহমান বিশ্বাস।

অবশ্য এসব ছোটখাটো ঘটনাকেও গুরুত্বের সাথে নিচ্ছেন রির্টানিং অফিসার ইসমাইল হোসেন। বলছেন, কাউকে ছাড় দেয়া হচ্ছে না। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে কঠোর রয়েছে কমিশন। আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে দুই কাউন্সিলর প্রার্থীকে জরিমানা করা হয়েছে।

এদিকে, খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কাউন্সিলর পদে প্রার্থী হওয়ায় বিএনপির আট নেতা-কর্মীকে আজীবন বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় কমিটি। এর আগে ১ জুন তাদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছিল। 

১০ জুন শেষ হবে, খুলনা সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রচারের সময়সীমা। ১২ জুন ভোট হবে ইলেক্ট্রনিক ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে। ভোটের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতে ২৮৯ কেন্দ্র ও ১ হাজার ৭৩২ ভোট কক্ষে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।


একাত্তর/এআর