নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক ব্যবসায়ীকে গলাকেটে হত্যা করে মরদেহ চেয়ারে বসিয়ে রেখে গেছে দুর্বৃত্তরা।
শনিবার সকাল পৌনে ৯টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করে।
জানা গেছে, নিহত ব্যবসায়ীর নাম দুলাল চন্দ্র দাস (৫৫)। তিনি উপজেলার রাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের টঙ্গীরপাড় এলাকার দাস বাড়ির হরলাল চন্দ্র দাসের ছেলে।
তিনি স্থানীয় ছয়ানী বাজারে ভাইয়ের সাথে ক্রোকারিজ ব্যবসা করতেন এবং টঙ্গীর পাড় কালী মন্দির সংলগ্ন চিত্ত বাবুর দীঘি লিজ নিয়ে মাছ চাষ করতেন।
এর আগে, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ৩টার মধ্যে চিত্ত বাবুর দীঘিতে তাকে হত্যার ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা বাঁশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তবে এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে আটক করা যায়নি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লিজ নেয়া দীঘি তার বাড়ি সংলগ্ন হওয়ায় দুলাল প্রত্যেকদিন রাতে দীঘির পাড়ে বসে মাছ পাহারা দিতেন। প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতেও তিনি দীঘির মাছ পাহারা দিতে যান।
সেখানে দুর্বৃত্তরা মাথা থেকে মুখ ও গলায় ছুরিকাঘাত করে তাকে হত্যা করে। এরপর মরদেহ চেয়ারে বসিয়ে রেখে চলে যায়।
রাত সোয়া ৩টার দিকে একই বাড়ির এক ব্যক্তি মাছ ধরার জন্য ব্যাস জাল নিতে দীঘির পাড়ে গেলে তিনি দুলালের রক্তাক্ত মরদেহ চেয়ারে বসা অবস্থায় দেখতে পান।
বেগমগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি বলেন, মাথা থেকে মুখ পর্যন্ত ও গলায় কুপিয়ে জখম করে হত্যা করা হয় দুলালকে। হত্যার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ কাজ করছে।
একাত্তর/এসজে