সিটি নির্বাচনের পরদিন মঙ্গলবার সকালে থেকে খুলনার কোথাও কোনো বিজয় মিছিল হয়নি। তবে বিজয়ী মেয়র প্রার্থীকে শুভেচ্ছা জানাতে সকাল থেকে নেতা কর্মীরা মেয়রের বাসায় ভিড় জমিয়েছেন। রীতিমতো ফুলেল শুভেচ্ছায় ভাসছেন তালুকদার আব্দুল খালেক।
খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নির্বাচনে তৃতীয়বারের মতো মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পর মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিভিন্ন মহলের ফুলেল শুভেচ্ছা পাচ্ছেন তালুকদার আব্দুল খালেক।
সকাল সাড়ে ১০টায় নগরীর ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে কেসিসির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও নেতাকর্মীরা তালুকদার আব্দুল খালেককে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে দলীয় কার্যালয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান তিনি।
এ সময় তিনি বলেন, জয়ের পেছনে তিন কারণ ছিলো। দল-সংগঠন, নেতাকর্মীদের স্বতঃস্ফূর্ততা ও উন্নয়ন কাজ। সংগঠন ও কর্মীদের মধ্যে স্বতঃস্ফূর্ততা ছিলো। আর খুলনাবাসীর উন্নয়নের প্রতি একটা সমর্থন ছিলো। যার কারণেই আমি জয় পেয়েছি।
আব্দুল খালেক বলেন, নির্বাচনের সময়ে আমি বলেছিলাম ২০০-২৫০টি রাস্তাঘাট, ড্রেন, খালের কাজ চলমান। আগে এই কাজগুলো শেষ করবো। এখনও বলছি। সব অসমাপ্ত কাজ শেষ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। সেই সঙ্গে নতুন উন্নয়ন কাজও নেয়া হবে।
এদিকে, কয়েকটি ওয়ার্ডে নির্বাচনের নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতার আশঙ্কা থাকলেও পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক আছে। নগরীর কোথায় বিজয় মিছিল হয়নি। তবে যারা বিজয়ী হয়েছেন তাদের বাড়িতে রয়েছে উৎসবের আমেজ। নগরীর মিষ্টির দোকানেও ভিড় ছিলো লক্ষ্যণীয়।
সোমবার সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ২৮৯টি কেন্দ্রে বিরতিহীনভাবে চলে ভোটগ্রহণ। কোনও ধরনের সহিংসতা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয় ভোট। রিটার্নিং কর্মকর্তা কর্তৃক প্রাপ্ত ফলাফলে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে পুনরায় মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন খালেক।
আরও পড়ুন: খুলনা সিটিতে কাউন্সিলর হলেন যারা
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকের আব্দুল আউয়াল পেয়েছেন ৬০ হাজার ৬৪ ভোট। এছাড়া জাতীয় পার্টির প্রার্থী মো. শফিকুল ইসলাম মধু লাঙল প্রতীকে পেয়েছেন ১৮ হাজার ৭৮ ভোট, জাকের পার্টির এস এম সাব্বির হোসেন গোলাপ ফুল প্রতীকে পেয়েছেন ৬ হাজার ৯৬ ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এস এম শফিকুর রহমান টেবিল ঘড়ি প্রতীকে পেয়েছেন ১৭ হাজার ২১৮ ভোট।
একাত্তর/এসি