জামালপুরের মাদারগঞ্জে সাবেক এক ইউপি সদস্য ও যুবলীগ নেতাকে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ সাতজনকে আটক করেছে।
শনিবার রাতে স্থানীয় ফুলজোড় গ্রাম থেকে তার মৃতদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহত জহুরুল হক ফুলজোড় গ্রামের মৃত আশরাফ প্রামাণিকের ছেলে। তিনি জোড়খালী ইউনিয়ন পরিষদের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক সহ-সভাপতি। স্থানীয় আতামারী বাজারে তার কাপড়ের দোকান আছে।
স্বজনদের বরাত দিয়ে মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহবুবুল হক জানান, জহুরুল হক তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে প্রতিদিন রাত ৯টার মধ্যে বাড়ি ফিরতেন ।কিন্তু শনিবার রাত ১১টায়ও বাড়িতে না ফিরলে স্বজনরা তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন।
ওসি আরও জানান, বাড়ি থেকে আধা-কিলোমিটার দুরে মধ্যপাড়ায় একটি মাদ্রাসার কাছে তার মৃতদেহ পড়ে থাকার খবর পান স্বজনরা। পরে পুলিশ রাত ১২টায় তার মৃতদেহ উদ্ধার করে।
জহুরুলের পেট ও পিঠে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন আছে। পুলিশের ধারনা, তাকে পূর্ব শত্রুতার জেরে হত্যা করা হয়েছে।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জামালপুর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে ও হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
আরও পড়ুন: জয়পুরহাটে কবিরাজ হত্যার দায়ে সৎ ভাইয়ের ফাসি
পুলিশ জানায়, ২০১৭ সালের ৭ সেপ্টেম্বর ফুলজোড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধে আলোচিত রাশেদুল ইসলাম রাশেদ ও সুবাহান হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি ছিলেন জহুরুল হক।