ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে তিনদিনের এক নবজাতককে চিকিৎসক মৃত ঘোষণার পর তাকে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছিলেন তার বাবা। তবে বাড়ি নেয়ার পথে বাবার কোলে হঠাৎ নড়েচড়ে ওঠে কন্যাশিশুটি।
এমন ঘটনায় বিস্মিত শিশুটির পরিবারসহ চিকিৎসকরা। তাকে বর্তমানে মমেক হাসপাতালে ভর্তি রাখা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে মমেক হাসপাতালে শিশুটিকে মৃত ঘোষণা করা হয়। বিকেলে বাড়ি যাওয়ার পথে ঢাকা–ময়মনসিংহ মহাসড়কের চুরখাই এলাকায় ‘প্রাণ ফিরে’ পায় সে।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, ত্রিশালের বরমা এলাকার বাসিন্দা সাইফুল ইসলামের স্ত্রী হালিমা খাতুন সন্তানসম্ভবা ছিলেন। অবস্থা জটিল হওয়ায় রোববার তাকে ভর্তি করা হয় ময়মনসিংহ মেডিক্যালের গাইনি ওয়ার্ডে।
সাত মাসের মাথায় জন্ম নেয়া কন্যাশিশুটির জন্ম স্বাভাবিক প্রসবেই হয়। জন্মের পর থেকেই তার অবস্থা সংকটাপন্ন ছিল। সে কারণে তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১১টায় তাকে মৃত ঘোষণা করে মৃত্যু সনদ দেন সংশ্লিষ্ট ইউনিটের চিকিৎসক। মৃত্যু সনদে উল্লেখ করা হয়, অত্যন্ত কম ওজন ও সময়ের আগে জন্ম নেয়ায় মৃত্যু হয়েছে তার।
বাবা সাইফুল জানান, মৃত্যুর খবর পেয়ে দুপুরের দিকে নবজাতকের মরদেহ নিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় করে বাড়ির পথে রওয়ানা দেন তিনি। তবে চুরখাই এলাকায় যেতেই শিশুটি নড়াচড়া করে ওঠে।
আরও পড়ুন: নাটোরে মাদক মামলায় দুইজনের ১০ বছর কারাদণ্ড
এ ঘটনায় যারপরনাই বিস্মিত হয়ে যান সাইফুল। তিনি সেখান থেকেই আবার ময়মনসিংহ মেডিক্যালে ফিরে এসে শিশুটিকে ভর্তি করান। সেখান থেকে শিশুটিকে আবার ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেয়া হয়।
ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. জাকিউল ইসলাম বলেন, বিষয়টি তিনি শুনেছেন। কেনো এমন হলো তা জানতে তারা তদন্তের উদ্যোগ নেবেন।
একাত্তর/এসজে