সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচিত মোমেনা বেওয়া হত্যাকাণ্ডের সাত বছর পর ওই ঘটনার রহস্য উন্মোচনের দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন- পিবিআই। হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের পুত্রবধূকে আটক করেছে পিবিআই।
পিবিআইয়ের সিরাজগঞ্জের পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম সোমবার দুপুরে সাংবাদিক সম্মেলন করে এসব তথ্য জানান।
২০১৬ সালের ২৭ মে সন্ধ্যায় উপজেলার দহকুলা গ্রামে মোমেনা বেওয়া (৭০) গলায় শাড়ি পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন জানান তার ছেলের বউ এবং নাতিরা।
উল্লাপাড়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর নিহতের মেয়ের জামাই মাহবুবুল আলম বুলু বাদী হয়ে উল্লাপাড়া থানায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা করেন।
তবে মোমেনা বেওয়ার ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে আসে যে, তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। এরপর নিহতের নাতি (মেয়ের ছেলে) আমিরুল ইসলাম বাবু তিন নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত তিনজনকে আসামি করে মামলা করেন।
পিবিআই থেকে জানানো হয়েছে, মোমেনা বেওয়া তার নামের জমি বিক্রি করে অসুস্থ মেয়ে ছালমা খাতুনকে অর্থ দেন। এ নিয়ে পুত্রবধূর সঙ্গে মনোমালিন্য এক পর্যায়ে মোমেনাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়।
পিবিআই তদন্তের দায়িত্ব পেয়ে গত ১৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার শাহজাহানপুরের রেলওয়ে কলোনি হতে পলাতক পুত্রবধূ নাজমা খাতুনকে আটক করে।
তিনি আদালতেও স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন বলে জানান পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার।