নোয়াখালীর চাটখিলে এক মাদ্রাসার ছাত্রী সাত বছরের শিশু উম্মে আক্তার পেহা হত্যার রহস্য উদঘাটন করে এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে প্রতিবেশী বাবা আবদুল ছাত্তার ও ছেলে মিজানুর রহমান সেন্টুকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যাকান্ডে স্বামী মিজানুর রহমান সেন্টু জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবিন্দ দিয়েছেন তার স্ত্রী সেলিনা বেগম।
মঙ্গলবার বিকেলে গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের নোয়াখালী চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়।
নিহত শিশু চাটখিলের মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের জষড়া গ্রামের সালামত পাটোয়ারী বাড়ির ফারুক হোসেনের মেয়ে। সে স্থানীয় একটি মাদরাসার প্রথম জামাতের ছাত্রী ছিল।
নোয়াখালীর পুলিশ সুপার শহীদুল ইসলাম জানান, ১৫ দিন আগে প্রতিবেশী মিজানুর রহমান সেন্টুর মেয়ে তানহার সাথে খেলাধুলা করার সময় মারামারি হয় পেহার। এ ঝগড়ার জের ধরে সেন্টু পেহাকে তার বাড়িতে মারতে যায়। তখন পেহার মা মেয়েকে শাসন করার কথা বলে সেন্টুকে নিবৃত করে। এরপর গত রোববার দুপুরে পেহা বাড়ির পাশে ক্ষেতে নিজের বাবাকে খোঁজ করতে যায়। ওই সময় ক্ষেতের পাশে বসা ছিল ঘাতক সেন্টু। সেন্টু বাবাকে দেখিয়ে দেয়ার কথা বলে পেহাকে ডেকে নিয়ে গিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে মরদেহ ঝোপে ফেলে রাখে। পরে একই দিন রাত ১১টার দিকে মোল্লা বাড়ি সংলগ্ন এলাকার একটি পুকুর পাড় থেকে নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় নিহত শিশুর বাবা ফারুক পাটোয়ারি থানায় মামলা কররে পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে মিজানুর রহমান সেন্টু ও তার বাবা আবদুল ছাত্তারকে আটক করে। মিজানুর রহমান সেন্টুর স্ত্রী সেলিনা বেগম তার স্বামী মিজানুর রহমান সেন্টু হত্যাকান্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি প্রদান করেন।