পৌষের শেষে সারাদেশেই আবার বাড়ছে শীত। তাপমাত্রা খুব একটা না কমলেও, ঘন কুয়াশায় ঢেকে আছে প্রায় গোটা দেশ। বুধবার দেশের সবচেয়ে কম তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গা, জয়পুরহাট ও নওগাঁর বদলগাছিতে ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, এই পরিস্থিতি কয়েকদিন থাকবে, আসবে শৈত্যপ্রবাহ।
জয়পুরহাট: কুয়াশার সাথে হিম বাতাস, দেখা নেই সূর্যের। এতেই জয়পুরহাটে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। যানবাহন চলছে ঝুঁকি নিয়ে।
নওগাঁ: জেলার সবখানে ঘন কুয়াশায় সূর্যের দেখা মিলছেন না। তীব্র শীতে বেহাল জনজীবন। সারারাত বৃষ্টির মতো কুয়াশা পড়ছে গোটা জেলায়।
পঞ্চগড়: গত পাঁচ দিন থেকে তাপমাত্রা ১১ থেকে ১৩ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করলেও, কুয়াশায় ঢাকা থাকছে গোটা এলাকা। সূর্যের মুখ দেখা গেলেও, তাপ নেই তাতে।
কুড়িগ্রাম: উত্তরের এই জনপদে সব সময়ই বেশি শীত পরে। সেখানে ঘন কুয়াশা আর কনকনে ঠাণ্ডায় জনজীবন বিপর্যস্ত। রাতে বৃষ্টির মত পড়ছে কুয়াশা। সারা দিনেও দেখা যাচ্ছে সূর্য।
হিলি: দিনাজপুরের হিলিতেও বেড়েছে শীত। প্রয়োজন ছাড়া কেউ ঘর থেকো বের হচ্ছে না। খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত থেকে রক্ষার চেষ্টা করছে মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা: ঘন কুয়াশায় ঢাকা গোটা জেলা। কখনো কখনো সূর্যের দেখা মিললেও তাতে উত্তাপ নেই। দুর্ঘটনা এড়াতে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলছে যানবাহন।
জামালপুর: হাড় কাঁপানো শীত জামালপুরেও। ঘন কুয়াশা আর ঠাণ্ডা বাতাসে সংকটে কম আয়ের মানুষ। শীত উপেক্ষা করেই কাজে বের হতে হচ্ছে তাদের। সবচেয়ে দুর্ভোগে চর অঞ্চলের মানুষ।
কলাপাড়া: উপকূলীয় এলাকা পটুয়াখালীর কলাপাড়ায়ও বিপর্যস্ত মানুষের জীবনযাত্রা। কুয়াশায় আর শিশিরে জবুথবু মানুষ। বেড়েছে শীতের নানা রোগে আক্রান্ত মানুষের ভিড় বাড়ছে হাসপাতালগুলোতে।
রাঙ্গামাটি: পাহাড়েও শীত বেড়েছে। রাঙ্গামাটির লংগদুতে বিপাকে দিনমজুর। কৃষক, মাঝিসহ খেটে খাওয়া মানুষ শীত ও আর কুয়াশায় কাজে যেতে পারছেন না।